০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির অদূরেই বোমা-বারুদের স্তূপ! ভোটের মুখে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় উদ্ধার পাইপগান ও হ্যান্ডক্যানন
অপরাধকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির অদূরেই বোমা-বারুদের স্তূপ! ভোটের মুখে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় উদ্ধার পাইপগান ও হ্যান্ডক্যানন

Share
পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির অদূরেই বোমা-বারুদের স্তূপ! ভোটের মুখে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় উদ্ধার পাইপগান ও হ্যান্ডক্যানন
ছবি: সংগৃহীত
Share

বারুইপুর: কড়া পুলিশি নজরদারির মাঝেই ফের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মিলল বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বোমা তৈরির মশলার হদিস। এবার শাসকদলের এক পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্ব থেকে উদ্ধার হল তাজা বোমা, পাইপগান, হ্যান্ডক্যানন এবং বস্তাভর্তি বারুদ। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর মহকুমার জীবনতলা থানার অন্তর্গত ডোনা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের আগে এলাকা থমথমে করতেই এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র মজুত করা হয়েছিল।

[TECHTARANGA-POST:9338]

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জীবনতলা থানার ডোনা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য মোস্তফা লস্করের বাড়ির ঠিক পেছনেই রয়েছে একটি পরিত্যক্ত বাগান। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার গভীর রাতে জীবনতলা থানার পুলিশ ওই বাগানে আচমকাই হানা দেয়। সেখানে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। ঝোপের আড়াল থেকে উদ্ধার হয় বেশ কয়েকটি তাজা শক্তিশালী হাতবোমা, দুটি দেশি পাইপগান এবং একটি শক্তিশালী হ্যান্ডক্যানন। এর পাশাপাশি তিনটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে পুলিশ, যার ভেতর ঠাসা ছিল বোমা তৈরির মূল উপাদান তথা কালো বারুদ ও সালফার।

[TECHTARANGA-POST:9329]

স্থানীয় সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া বারুদের পরিমাণ এতটাই বেশি যে তা দিয়ে অনায়াসে শতাধিক শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব ছিল। রাতেই বারুইপুর জেলা পুলিশের বোম স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয় এবং তাজা বোমাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।

[TECHTARANGA-POST:9323]

এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, “তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের মদতেই তাঁর বাড়ির পেছনে এই মিনি বারুদ কারখানা গড়ে উঠেছিল। ভোটের দিন বুথ দখল এবং সন্ত্রাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই অস্ত্র মজুত করা হচ্ছিল।” যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোস্তফা লস্কর। শাসকদলের পালটা দাবি, তৃণমূলকে বদনাম করতে এবং এলাকায় অশান্তি ছড়াতে বিরোধীরাই গভীর রাতে ওই নির্জন বাগানে অস্ত্র ফেলে রেখে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং এই অস্ত্রপাচার ও মজুতের নেপথ্যে কারা জড়িত, তা জানতে একটি সুনির্দিষ্ট মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *