০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ১১ ঘণ্টা ইডির মুখোমুখি রথীন! সিজিও থেকে বেরিয়েই বোমা ফাটালেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী? জানুন আসল সত্যি
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

১১ ঘণ্টা ইডির মুখোমুখি রথীন! সিজিও থেকে বেরিয়েই বোমা ফাটালেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী? জানুন আসল সত্যি

Share
১১ ঘণ্টা ইডির মুখোমুখি রথীন! সিজিও থেকে বেরিয়েই বোমা ফাটালেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী? জানুন আসল সত্যি
১১ ঘণ্টা পর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। ছবি-সংগৃহীত
Share

কলকাতা: ছাব্বিশের ভোটের উত্তাপ মিটতেই ফের ইডির স্ক্যানারে রাজ্যের হেভিওয়েট নেতা। এবার ম্যারাথন জেরার মুখে পড়লেন মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। এরপর টানা ১১ ঘণ্টার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যখন তিনি বাইরে বেরোন, তখন তাঁকে ঘিরে তৈরি হয় তুমুল চাঞ্চল্য। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ কেন্দ্রীয় এজেন্সির দপ্তর থেকে বেরিয়ে অবশ্য সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খুব বেশি মুখ খোলেননি তিনি। অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত জবাবে রথীন ঘোষ জানান, আয়কর (IT) সংক্রান্ত কিছু নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল তাঁর কাছে, সেগুলিই তিনি জমা দিয়েছেন। তবে জল্পনা উস্কে দিয়ে তিনি এও যোগ করেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা তাঁকে পরে আবারও ডাকবেন বলে জানিয়েছেন।পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রথীন ঘোষকে এর আগেও একাধিকবার তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কিন্তু প্রতিবারই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে এবং চিঠি পাঠিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর গ্রেপ্তারি এবং জেল হেফাজতের পর রথীন ঘোষের ওপর চাপ আরও বেড়েছিল। কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই সাঁড়াশি চাপের মুখেই সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছান তিনি। আর তারপর থেকেই শুরু হয় ইডির আধিকারিকদের ম্যারাথন জেরা, যা চলে টানা রাত পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, তিন বছর আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেপ্তার হওয়ার পর, মধ্যমগ্রামের এই বর্ষীয়ান বিধায়কের কাঁধেই খাদ্য দপ্তরের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এর মাঝেই পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ায় রথীন ঘোষের। ইডির অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যখন রথীনবাবু মধ্যমগ্রাম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তাঁর সুপারিশেই পুরসভায় একাধিক অবৈধ নিয়োগ হয়েছিল। এই মামলার তদন্তে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের মুখে তাঁকে মোট ৫ বার ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় প্রার্থী হওয়া এবং ভোটের প্রচারের ব্যস্ততার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। গত ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশে তিনি ফের জয়ী হওয়ার পর ইডির তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পায়। অবশেষে সমস্ত টালবাহানার অবসান ঘটিয়ে এদিন তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে বাধ্য হলেন তিনি। এখন দেখার, পরবর্তী তলবে কোন নতুন মোড় নেয় এই তদন্ত।

[TECHTARANGA-POST:9676]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *