০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ‘নেতাদের চর্বি জমে গিয়েছে!’ ঋতব্রতর দলকে ‘বিজেমূল’ কটাক্ষ মহুয়ার, চরম সংকটে মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আর কী বললেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

‘নেতাদের চর্বি জমে গিয়েছে!’ ঋতব্রতর দলকে ‘বিজেমূল’ কটাক্ষ মহুয়ার, চরম সংকটে মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আর কী বললেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ?

Share
'নেতাদের চর্বি জমে গিয়েছে!' ঋতব্রতর দলকে 'বিজেমূল' কটাক্ষ মহুয়ার, চরম সংকটে মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আর কী বললেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ?
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: বিধানসভার ‘সই কাণ্ড’ এবং ৫৮ জন বিধায়কের বিদ্রোহে এই মুহূর্তে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকাংশ দাপুটে নেতা ও বিধায়কেরা যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের বিরোধিতা করে দলবদলু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নতুন তৃণমূল’-এর ছাতার তলায় আশ্রয় নিয়েছেন, তখন দলনেত্রীর হয়ে একাই ব্যাটন ধরলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। চরম রাজনৈতিক সংকটের আবহে প্রকাশ্যে এসে মহুয়া সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি অতীতেও মমতার পাশে ছিলেন, বর্তমানেও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। একই সঙ্গে ঋতব্রতর এই নতুন শিবিরকে ‘বিজেমূল’ বলে তীব্র তোপ দেগেছেন এই তৃণমূল সাংসদ।

[TECHTARANGA-POST:9739]

পরিষদীয় দলের রাশ হাতছাড়া হওয়ার পর পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিদ্রোহী বিধায়কদের কড়া ভাষায় তুলোধোনা করেন মহুয়া মৈত্র। তিনি স্পষ্ট বলেন, এবারের নির্বাচনে বিজেপি প্রায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ ভোট পেয়েছে আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পেয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষ ভোট। অর্থাৎ ব্যবধান মাত্র ৩০ লক্ষের। মহুয়ার দাবি, বাংলায় যে ৮০টি আসনে তৃণমূল জয়লাভ করেছিল, তা প্রার্থী বা নেতাদের কোনও নিজস্ব ক্যারিশ্মায় নয়, বরং মানুষ সম্পূর্ণভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে ভোট দিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর এভাবে ক্ষমতার লোভে দল ভেঙে দেওয়া মানে বাংলার মানুষের রায়ের সঙ্গে চরম প্রতারণা ও বেইমানি করা। যাদের এতই ক্ষমতা, তাঁরা কেন মমতার ছবি ব্যবহার করে জিতলেন, সেই প্রশ্ন তুলে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন সাংসদ।

[TECHTARANGA-POST:9737]

তৃণমূল কংগ্রেস এভাবে ভেঙে যাওয়ার নেপথ্যে বিদ্রোহীদের চরম ব্যক্তিস্বার্থ কাজ করছে দাবি করে এক নজিরবিহীন আক্রমণ শানিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। তীব্র খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, আসলে বিগত ১৫ বছর একটানা ক্ষমতায় থাকার কারণে দলের নেতাদের শরীরে চর্বি জমে গিয়েছে। এখন বিরোধী আসনে বসে লড়াই-আন্দোলন করার ক্ষমতা বা মানসিকতা এঁদের কারও নেই। কারণ বিরোধী দলে থাকলে পুলিশ কিংবা বিডিও কেউ কথা শুনবে না, নানা সমস্যায় পড়তে হবে। সেই কারণেই ক্ষমতার অলিন্দে থাকতে এরা সুকৌশলে শাসকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিয়েছে যাতে নিজেদের আখের গোছানো যায়। নামে এরা বিরোধী দল হলেও আসলে এরা শাসকেরই পূর্ণ সমর্থন পাবে। তবে দলের এই কঠিনতম সময়েও মহুয়ার এমন আগ্রাসী রূপ ও নেত্রীর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অক্সিজেন জোগাচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *