০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব ভয়াবহ কম্পনে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া! ধেয়ে আসছে সুনামি? তীব্র আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ
বিশ্ব

ভয়াবহ কম্পনে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া! ধেয়ে আসছে সুনামি? তীব্র আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ

Share
ভয়াবহ কম্পনে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া! ধেয়ে আসছে সুনামি? তীব্র আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ
ছবি--প্রতীকী
Share

জাকার্তা: মঙ্গলবার সকালে এক চরম প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাক্ষী থাকল ইন্দোনেশিয়া। আচমকাই তীব্র ভূ-কম্পনে কেঁপে উঠল দেশের সুলাওয়েসি দ্বীপ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৭, যা অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সকাল সকাল এই ভয়াবহ কম্পন অনুভূত হতেই তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। ঘরবাড়ি ছেড়ে দলে দলে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তবে এই তীব্র ধাক্কার পর স্বাভাবিকভাবেই যে প্রশ্নটি এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি তাড়া করে বেড়াচ্ছে তা হলো—তাহলে কি এবার সমুদ্র ফুঁসে উঠবে? ধেয়ে আসবে বিধ্বংসী সুনামি?মাটির মাত্র ১০ কিমি গভীরে উৎসস্থল

[TECHTARANGA-POST:9987]

ইন্দোনেশিয়ার জিওফিজিক্স সংস্থা বিএমকেজি (BMKG) এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানা গিয়েছে, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সুলাওয়েসির পালু শহর থেকে মাত্র ৪২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই কম্পনের উৎসস্থল (Hypocenter)। উৎসস্থল মাটির এত কাছাকাছি হওয়ায় তীব্রতা অত্যন্ত জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে। যদিও স্বস্তির খবর এই যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও সুনামির (Tsunami Alert) সতর্কবার্তা জারি করা হয়নি। তবে মূল ধাক্কা কেটে গেলেও বড়সড় আফটারশকের (Aftershock) আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’-এর অভিশাপভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়ার এই পরিণতি অবশ্য নতুন নয়। দেশটিকে প্রায়শই টেকটোনিক প্লেটের জটিল বিন্যাস এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বিপজ্জনক ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ার মাশুল গুনতে হয়। মাটির নিচের টেকটোনিক প্লেটগুলির অনবরত নড়াচড়ার জেরে এখানকার মাটি প্রায়শই কেঁপে ওঠে। এই প্রসঙ্গে অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন ২০২২ সালের সেই ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের স্মৃতি, যেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও প্রায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যার মধ্যে একটি বড় অংশই ছিল শিশু। মঙ্গলবারের এই কম্পনে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর না মিললেও, প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *