০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা মিড ডে মিলের পাতে কি আর থাকবে না ডিম? ইসকনের হাতে দায়িত্ব যেতেই ভাইরাল মেনু কার্ড নিয়ে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

মিড ডে মিলের পাতে কি আর থাকবে না ডিম? ইসকনের হাতে দায়িত্ব যেতেই ভাইরাল মেনু কার্ড নিয়ে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া!

Share
মিড ডে মিলের পাতে কি আর থাকবে না ডিম? ইসকনের হাতে দায়িত্ব যেতেই ভাইরাল মেনু কার্ড নিয়ে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া!
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: স্কুলের মিড ডে মিলের দায়িত্বে এবার আসছে ইসকন। সোমবার রাজ্য বাজেট পেশ করার সময় কলকাতা পৌরনিগম এলাকার স্কুলগুলির জন্য এই বড়সড় ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। আর অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে নানা জল্পনা ও বিতর্কের ঝড় উঠতে শুরু করেছে। নেটিজেনদের মনে সবথেকে বড় যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো, ইসকন দায়িত্ব নিলে পড়ুয়াদের পাতে কি আর ডিম দেওয়া হবে? এর মধ্যেই সপ্তাহের ৬ দিনের একটি कथित খাবারের তালিকা বা মেনু কার্ড হুহু করে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যা নিয়ে তৈরি হয় তীব্র বিভ্রান্তি।

[TECHTARANGA-POST:10218]

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভাইরাল মেনুতে দেখা যায়, সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিনের তালিকায় ভাত, ডাল, সয়াবিন, পোলাও, পনির, খিচুড়ি ও সবজি থাকলেও কোথাও ডিমের উল্লেখ নেই। ডিম না থাকা নিয়ে যখন সমাজমাধ্যমে একাংশ সরব হয়েছেন, ঠিক তখনই এই বিভ্রান্তি দূর করতে আসরে নামল ইসকন কর্তৃপক্ষ। এক্স হ্যান্ডলে এই বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়ে ইসকন কলকাতার সহসভাপতি এবং মুখপাত্র রাধারমণ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কলকাতায় মিড ডে মিলে পড়ুয়াদের কী খাওয়ানো হবে, তা নিয়ে কিছু মানুষ যে পোস্ট শেয়ার করছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এখনও পর্যন্ত কোনও মেনু চূড়ান্ত করা হয়নি এবং এই তালিকা ইসকনের তরফ থেকে দেওয়া হয়নি। মেনু ঠিক হওয়ার পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে জানিয়ে তিনি সকলকে এই ধরনের ভুল তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছেন।

[TECHTARANGA-POST:10215]

উল্লেখ্য, একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবেই কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিলের এই বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসকনকে। বাজেটে এই ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রকল্পের প্রশংসা করে আশ্বস্ত করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের তৈরি খাবারের গুণমান অত্যন্ত ভালো হবে। এমনকি হাসিমুখেই তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে, খাবার পছন্দ হলে খাবেন, তবে ইচ্ছা না হলে ‘হরেকৃষ্ণ’ বলার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। আপাতত ইসকনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই পরিষ্কার হবে যে, কলকাতার পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের পাতে শেষ পর্যন্ত কী কী পুষ্টিকর খাবার জায়গা করে নিতে চলেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *