০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অর্থনীতি তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বাণিজ্যিক প্রকল্পে অডিট, ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত নির্মাণ
অর্থনীতিকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বাণিজ্যিক প্রকল্পে অডিট, ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত নির্মাণ

Share
তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বাণিজ্যিক প্রকল্পে অডিট, ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত নির্মাণ
AI GENERATED IMAGE
Share

তারাতলা নির্মাণ বিপর্যয়ের পর রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারত নির্মাণে বড় সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত কলকাতা পুর এলাকায় অনুমোদিত বিভিন্ন বাণিজ্যিক নির্মাণকাজ আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে সব নির্মীয়মাণ ইমারতের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ছাড়পত্র পাওয়া প্রকল্পগুলিতেই কেবল পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করা যাবে।

[TECHTARANGA-POST:10236]

বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর প্রশাসনিক অবস্থান আরও কঠোর হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পিডব্লিউডি, সিভিল ডিফেন্স, পুলিশ, দমকল এবং পুরসভার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ অডিট টিম গঠন করা হবে। এই টিম প্রতিটি নির্মাণ প্রকল্পের নকশা, অনুমোদন এবং স্থল পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে নিরাপত্তা মান যাচাই করবে। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, হাসপাতাল, দমকল, মেট্রো এবং সেনার মতো জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত নির্মাণ এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না। তবে বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য অনুমোদিত নির্মাণ প্রকল্পে আপাতত কাজ বন্ধ থাকবে।

তারাতলা ছাদ ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটনাস্থলে এলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

প্রাথমিক তদন্তে কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের অনুমান, ত্রুটিপূর্ণ নকশা এবং নির্মাণের মানগত সমস্যার কারণেই তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও কোল্ড স্টোরেজ ধসে পড়েছে। সেই কারণেই অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ও নির্মাণ প্রক্রিয়া পুনরায় পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি ওই বহুতল গুদামের নকশা অনুমোদন পায়। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই নির্মাণাধীন কাঠামো ভেঙে পড়ায় প্রশাসনিক নজরদারি ও অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

[TECHTARANGA-POST:10221]

দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজে নামানো হয় দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, পুলিশ এবং সেনা। ভার্টিকাল ড্রিলিং, গ্যাসকাটার এবং ক্রেন ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে আটকে থাকা শ্রমিকদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল মিলিয়ে প্রশাসনের একাধিক টিম পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। এদিকে, আহতদের চিকিৎসা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে। আগামীকাল বিধানসভায় এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *