০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ইতিহাসের পাতায় ফিরল জরুরি অবস্থা, ৫০ বছর পর পাঠ্যবইয়ে ইন্দিরা যুগ
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষশিক্ষাঙ্গন

ইতিহাসের পাতায় ফিরল জরুরি অবস্থা, ৫০ বছর পর পাঠ্যবইয়ে ইন্দিরা যুগ

Share
ইতিহাসের পাতায় ফিরল জরুরি অবস্থা, ৫০ বছর পর পাঠ্যবইয়ে ইন্দিরা যুগ
এ আই নির্মিত ছবি
Share

দেশের ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায় জরুরি অবস্থা (Emergency) এবার প্রথমবার জায়গা পেল এনসিইআরটি-র নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জারি করা এই জরুরি অবস্থাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে শিক্ষা মহলে।

[TECHTARANGA-POST:10264]

জাতীয় শিক্ষানীতির আওতায় এনসিইআরটি-র ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং সোসাইটি’ নামে নবম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞানের বইতে এই অধ্যায়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বইটিতে জরুরি অবস্থাকে ভারতের গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে পর্যন্ত এই বিষয়টি শুধুমাত্র দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। এবার নবম শ্রেণির পাঠ্যক্রমেও স্থান পাওয়ায় বিষয়টি আরও বিস্তৃতভাবে পড়ানো হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বইটিতে বলা হয়েছে, ১৯৭০-এর দশকে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশে ব্যাপক জনঅসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতেই ১৯৭৫ সালের জুন মাসে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার অজুহাতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

কণ্ঠস্বর আটকাতে হাই কোর্টে অভিষেক!

পাঠ্যবইয়ের বিবরণ অনুযায়ী, ওই সময় জনগণের মৌলিক অধিকার সীমিত করা হয়, সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় নিয়ন্ত্রণ আনা হয় এবং বহু রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিও চাপের মুখে পড়ে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে জয়প্রকাশ নারায়ণের ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। বিশেষ করে বিহার ও গুজরাটে ছাত্র ও সাধারণ মানুষের আন্দোলনকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10253]

এদিকে জরুরি অবস্থার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই সময়কালকে স্মরণ করেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘জরুরি অবস্থা ছিল আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত। এ সময় জনগণের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছিল। মতপ্রকাশের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও সমাজকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি, আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির উপরও আঘাত হানা হয়।” 

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *