০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ ইউসিসি মানেই সন্তানসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়, জল্পনার মাঝেই স্পষ্ট বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের
পশ্চিমবঙ্গ

ইউসিসি মানেই সন্তানসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়, জল্পনার মাঝেই স্পষ্ট বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের

Share
ইউসিসি মানেই সন্তানসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়,  জল্পনার মাঝেই স্পষ্ট বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের
FILE IMAGE
Share

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code বা UCC) চালুর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সোমবার বিধানসভায় এই সংক্রান্ত বিল পেশ হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তার আগেই ইউসিসি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া একাধিক বিভ্রান্তি দূর করতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

[TECHTARANGA-POST:10338]

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে শমীক জানান, ইউসিসির মূল উদ্দেশ্য দেশের সব নাগরিকের জন্য সমান নাগরিক আইন নিশ্চিত করা। তাঁর কথায়, “আইনের চোখে সকল নাগরিকই সমান।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সংবিধান স্বীকৃত তফসিলি জনজাতি এই আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। তাঁদের নিজস্ব রীতি-নীতি, প্রথা ও সাংবিধানিক অধিকার আগের মতোই বহাল থাকবে। ইউসিসি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে সন্তানসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন। এই প্রসঙ্গেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর দাবি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির সঙ্গে সন্তানসংখ্যা নির্ধারণের কোনও সম্পর্ক নেই। এই আইনের লক্ষ্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং লিভ-ইন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ধর্ম বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার জন্য একই আইনি কাঠামো তৈরি করা।

[TECHTARANGA-POST:10342]

শমীক আরও বলেন, বর্তমানে কিছু ব্যক্তিগত আইনে বহুবিবাহের সুযোগ রয়েছে। ইউসিসি চালু হলে সেই ধরনের আইনি বৈষম্য দূর করা সম্ভব হবে। তাঁর মতে, এক দেশে সকল নাগরিকের জন্য একই আইন কার্যকর হলে সাংবিধানিক সমতা ও ন্যায়বিচার আরও সুদৃঢ় হবে। উল্লেখ্য, বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করে আসছে। গুজরাট, উত্তরাখণ্ড ও অসমে এই আইন কার্যকর হওয়ার পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও তা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় বিল পেশ হলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *