০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ নদীর চর দখল করে ‘অরণ্যের কূলে’ বিলাসিতা! শওকতের ছেলের বেআইনি ক্যাফেতে কীভাবে চলল প্রশাসনের বুলডোজার?
অপরাধপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

নদীর চর দখল করে ‘অরণ্যের কূলে’ বিলাসিতা! শওকতের ছেলের বেআইনি ক্যাফেতে কীভাবে চলল প্রশাসনের বুলডোজার?

Share
নদীর চর দখল করে ‘অরণ্যের কূলে’ বিলাসিতা! শওকতের ছেলের বেআইনি ক্যাফেতে কীভাবে চলল প্রশাসনের বুলডোজার?
শওকতের ছেলের বেআইনি ক্যাফেতে চলল বুলডোজার। ছবি-সংগৃহীত
Share

ক্যানিং: ক্ষমতার দাপটও আটকাতে পারল না প্রশাসনের অ্যাকশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনিভাবে গড়ে ওঠা ‘অরণ্যের কূলে’ ক্যাফেটি শেষমেশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল জেলা প্রশাসন। ক্যানিং পূর্বের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লার ছেলে ইমরানের এই বিলাসবহুল ক্যাফেটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। সরকারি জমি দখল করে রমরমিয়ে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর, সমস্ত আইনি নথি যাচাই করে প্রশাসন এটিকে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়। তবে প্রথম দিকে সেই নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়েছিলেন শওকত ও তাঁর ছেলে, যার পরিণতিতে আজ ভোরেই সেখানে হাজির হয় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

[TECHTARANGA-POST:10511]

প্রশাসনের দেওয়া চরমসীমা পেরিয়ে গেলেও ক্যাফেটি পুরোপুরি সরানো হয়নি দেখে আজ কাকভোরেই কোমর বেঁধে নামেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ক্যানিং পূর্বের বিডিও-র উপস্থিতিতে বুলডোজার গর্জে ওঠে ক্যাফের দোরগোড়ায়। মুহূর্তের মধ্যে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ক্যাফের মূল ফটক। এরপর একে একে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ক্যাফের ভেতরের সযত্নে সাজানো বাগান ও বিলাসবহুল পরিকাঠামো। দিনকয়েক আগেই প্রশাসনের তরফে নোটিশ দিয়ে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ২৯ তারিখের মধ্যে বেআইনি নির্মাণটি নিজে থেকে সরিয়ে নিতে হবে, অন্যথায় বলপ্রয়োগ করা হবে। নোটিশ পেয়ে ক্যাফে থেকে দামি জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হলেও, মূল কাঠামোটি ভাঙা হয়নি। ফলস্বরূপ, আজ আইনি নিয়ম মেনেই কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন।

[TECHTARANGA-POST:10485]

এই উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে ক্যানিং পূর্বের বিডিও স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারি জমির ওপর সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই নির্মাণটি খাড়া করা হয়েছিল। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়ার পর যথাযথ শুনানি হয় এবং অভিযুক্তদের নিজেদের উদ্যোগে ক্যাফেটি ভেঙে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও যখন আইন মানা হয়নি, তখন সরকারি নিয়ম ও আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই এই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় যেমন উত্তেজনা রয়েছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে বার্তা গিয়েছে যে বেআইনি দখলদারির ক্ষেত্রে কাউকেই রেয়াত করবে না প্রশাসন।

[TECHTARANGA-POST:10505]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *