০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ আইন-কানুন কুলগামের ত্রাস জাকির গনির খেলা শেষ, ভোরের আলো ফুটতেই এল সাফল্য!
আইন-কানুনভারতবর্ষ

কুলগামের ত্রাস জাকির গনির খেলা শেষ, ভোরের আলো ফুটতেই এল সাফল্য!

Share
কুলগামের ত্রাস জাকির গনির খেলা শেষ, ভোরের আলো ফুটতেই এল সাফল্য!
এ আই নির্মিত ছবি
Share

শ্রীনগর: ফের একবার প্রবল গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ। জম্মু ও কাশ্মীরের দক্ষিণভাগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে রাতভর চলা এক রুদ্ধশ্বাস এনকাউন্টারে খতম হলো দুই দুর্ধর্ষ ‘জেহাদি’। নিহতদের মধ্যে একজন পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার (LeT) অত্যন্ত উচ্চপদস্থ ও সক্রিয় সদস্য বলে সেনা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি আরও এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার হলেও তার পরিচয় এখনও জানার চেষ্টা করছে প্রশাসন।

[TECHTARANGA-POST:10599]

 গোয়েন্দা সূত্রে খবর, নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জাকির আহমদ গনি, যে দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার বাসিন্দা। এই জাকির নিরাপত্তা সংস্থাগুলির খাতায় ‘এ++’ ক্যাটাগরির মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদী হিসাবে চিহ্নিত ছিল। গত বছর পহেলগাঁওতে হওয়া কুখ্যাত জঙ্গি হামলার তদন্তে এই জাকিরের নামই মূল ষড়যন্ত্রী হিসেবে উঠে এসেছিল। উপত্যকায় একাধিক নাশকতামূলক কাজ এবং বাহিনীর ওপর প্রাণঘাতী হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই কুখ্যাত জঙ্গি।

[TECHTARANGA-POST:10612]

শনিবার বিকেলেই ভারতীয় সেনার কাছে একটি অত্যন্ত গোপন সূত্রে খবর আসে যে, দক্ষিণ কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলার চানপোরা গ্রামে কয়েকজন ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গি গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। খবর পাওয়ামাত্রই কোনো সময় নষ্ট না করে যৌথ অভিযানে নামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের প্যারা ইউনিট ও স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ (SOG)। গোটা চানপোরা গ্রামকে নিমেষের মধ্যে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলে শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। চারিদিক থেকে খাঁচায় বন্দি হয়ে পালানোর সব পথ বন্ধ দেখে প্রবল আতঙ্কিত হয়ে পড়ে লুকিয়ে থাকা দুই জঙ্গি। এরপরই তারা আচমকা নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চালাতে শুরু করে।

[TECHTARANGA-POST:10597]

জঙ্গিদের আকস্মিক গুলির জবাবে পালটা গর্জে ওঠে ভারতীয় জওয়ানদের স্বয়ংক্রিয় রাইফেলও। শনিবার সন্ধ্যে পৌনে ৮টা নাগাদ শুরু হওয়া এই গুলির লড়াই সময়ের সাথে সাথে চরম রূপ ধারণ করে। গোটা রাত ধরে দু’পক্ষের মধ্যে চলে সমানে সমানে গুলির লড়াই। রাতের অন্ধকারে যাতে জঙ্গিরা কোনোভাবেই জঙ্গল বা গ্রামের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, তার জন্য অত্যাধুনিক নাইট ভিশন প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। অবশেষে রাতভর চলে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ভোরের আলো ফুটতেই দুই জঙ্গিকে নিকেশ করতে সক্ষম হয় ভারতীয় সেনা। মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে। এই বড় সাফল্যের পর গোটা এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এখনও তল্লাশি অভিযান জারি রেখেছে যৌথ বাহিনী।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *