০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা অর্থনীতি ৩ কোটির দুর্নীতি, শান্তনুর ইশারাতেই চলত জমি দখলের সিন্ডিকেট! চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি ইডির
অর্থনীতিকলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

৩ কোটির দুর্নীতি, শান্তনুর ইশারাতেই চলত জমি দখলের সিন্ডিকেট! চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি ইডির

Share
Share

জমি দখল, বেআইনি সম্পত্তি ও কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার (ডিসিপি) শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ১১৪ পাতার চার্জশিটে ২৬ জন সাক্ষীর বয়ান তুলে ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে, এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩ কোটি টাকা বেআইনিভাবে আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে প্রাক্তন পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে। তবে দুর্নীতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

[TECHTARANGA-POST:10810]

ইডি সূত্রে খবর, গত মে মাসে কসবার কুখ্যাত সমাজবিরোধী ‘সোনা পাপ্পু’-র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গিয়েই সামনে আসে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম। তদন্তে উঠে আসে, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় নিজের প্রভাব খাটিয়ে বেআইনিভাবে জমি দখল ও রিয়েল এস্টেটের একটি সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন তিনি। তাঁর মদতেই সোনা পাপ্পুর মতো দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন এলাকায় দখলদারি চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। তদন্তে জয় কামদার নামে এক ব্যবসায়ীর নামও উঠে এসেছে। ইডির দাবি, শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও জয় কামদার একসঙ্গে বিভিন্ন জেলায় জমি দখল করে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন। শান্তিনিকেতনে সেই আবাসন প্রকল্পেরও হদিশ মিলেছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

এনকাউন্টার ইস্যুতে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের সারাংশ

এই সমস্ত তথ্য ও নথি হাতে পাওয়ার পর শান্তনুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সহযোগিতা করেননি বলে অভিযোগ। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের প্রায় এক মাসের মধ্যেই আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল ইডি। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্মাণকারী, পুলিশ এবং দুষ্কৃতীদের একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জমি দখল ও বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।

[TECHTARANGA-POST:10779]

 পাশাপাশি শান্তনুর আয় ও সম্পত্তির হিসেবের মধ্যেও অসঙ্গতি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি টাকার দুর্নীতির তথ্য সামনে এলেও প্রকৃত অঙ্ক আরও বেশি হতে পারে। সেই কারণেই অর্থের উৎস এবং আরও বেআইনি সম্পত্তির খোঁজে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *