০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ ডাকাতির পর নৃশংসতার চরম সীমা! মধ্যপ্রদেশে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ
অপরাধভারতবর্ষ

ডাকাতির পর নৃশংসতার চরম সীমা! মধ্যপ্রদেশে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ

Share
ডাকাতির পর নৃশংসতার চরম সীমা! মধ্যপ্রদেশে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ
ছবি--প্রতীকী
Share

আলিরাজপুর: ডাকাতি করতে ঢুকে এক মহিলাকে গণধর্ষণ এবং এরপর তাঁর যৌনাঙ্গে কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো এক অমানবিক ও নৃশংস ঘটনায় শিউরে উঠল মধ্যপ্রদেশ। শুক্রবার রাতে আলিরাজপুর জেলার বোরি থানা এলাকার একটি গ্রামে এই হাড়হিম করা অপরাধটি ঘটেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আক্রান্ত মহিলা বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10868]

পুলিশ সুপার রঘুবংশকুমার সিংহ জানিয়েছেন, শুক্রবার মাঝরাতে ৫-৬ জনের একটি ডাকাতদল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই মহিলার বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে তখন ওই মহিলা এবং তাঁর কন্যা ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। ডাকাতরা তাঁদের প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে ঘরের সমস্ত নগদ টাকা ও সোনা-রুপোর গয়না লুট করে। অভিযোগ, লুটতরাজের সময় ডাকাতদলের মধ্যে দু’জন ওই মহিলাকে টেনেহিঁচড়ে পাশের ঘরে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে মহিলাকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং এরপর তাঁর যৌনাঙ্গে একটি কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা চম্পট দেয়।

[TECHTARANGA-POST:10866]

শনিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত ও অচৈতন্য অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মহিলার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব গোটা গ্রাম। পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন যে, ডাকাতদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল লুঠতরাজ, কিন্তু তার আড়ালে এমন পাশবিকতা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ডাকাতদলের নাগাল পেতে পুলিশের বেশ কয়েকটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলেও, এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে নারী নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন উঠে দাঁড়িয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *