০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি আইন-কানুন খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে বড় পদক্ষেপ: সুইগির ই-কমার্স শাখাকে শোকজ নোটিস পাঠাল এফএসএসএআই
আইন-কানুনদিল্লিভারতবর্ষ

খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে বড় পদক্ষেপ: সুইগির ই-কমার্স শাখাকে শোকজ নোটিস পাঠাল এফএসএসএআই

Share
খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে বড় পদক্ষেপ: সুইগির ই-কমার্স শাখাকে শোকজ নোটিস পাঠাল এফএসএসএআই
ছবি--প্রতীকী
Share

নয়াদিল্লি: অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থা সুইগির ই-কমার্স শাখা ‘ইনস্টামার্ট’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা এফএসএসএআই (FSSAI)। গ্রাহকদের কাছে পচা ডিম, নষ্ট পরোটা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার সরবরাহের অভিযোগে ইনস্টামার্টকে একযোগে নয়টি নোটিস ধরিয়েছে কেন্দ্র। শিশুদের খাবার নিয়েও সংস্থার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গ্রাহক মহলে।

[TECHTARANGA-POST:10877]

দীর্ঘদিন ধরেই ইনস্টামার্টের পরিষেবার গুণমান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ, বহুবার অভিযোগ জানানোর পরেও সংস্থাটি গ্রাহকদের সমস্যার সমাধানে কোনো সন্তোষজনক পদক্ষেপ নেয়নি। গ্রাহকদের অভিযোগের পাহাড় জমতেই শেষপর্যন্ত সক্রিয় হয় এফএসএসএআই। কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে, ইনস্টামার্টের প্ল্যাটফর্মে বিক্রি হওয়া অনেক পণ্যের প্যাকেটে ভুয়ো লাইসেন্সের ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে ‘নোইস’ ব্র্যান্ডের ডিমের ক্ষেত্রে কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে, যার প্রেক্ষিতে অবিলম্বে ওই ডিম সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

[TECHTARANGA-POST:10876]

এফএসএসএআই সূত্রে জানা গেছে, হেলথিফাই হোয়ে প্রোটিন, নোইস মাদ্রাজ মিক্সচার এবং নামি ব্র্যান্ডের পরোটার মতো একাধিক পণ্য নিয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। পচা ডিম সরবরাহের ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর। ২০০৬ সালের খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইনের কঠোর ধারা প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়ে সংস্থাটির কাছ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। কোনো সদুত্তর না পেলে ইনস্টামার্টের বিরুদ্ধে বড়সড় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

[TECHTARANGA-POST:10860]

সুইগি কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এফএসএসএআই-এর নোটিসটি তারা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছেন এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। তবে দ্রুতগতির ডেলিভারির চক্করে মানুষের জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার এই ঘটনায় সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন উঠে গেল। নিয়মিত তদারকির অভাবে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে এই ধরনের আপস কেন করা হলো, তা নিয়ে এখন তোলপাড় শুরু হয়েছে ডিজিটাল বাজার ব্যবস্থায়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *