উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে চলেছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আগামী দু’-তিন দিন পাহাড় ও ডুয়ার্সে প্রবল বৃষ্টির জেরে ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজন ছাড়া পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াত এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর অবস্থানকারী নিম্নচাপটি আগামী ২৪ ঘণ্টায় দুর্বল হলেও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির প্রভাব বজায় থাকবে। অতিবৃষ্টির কারণে একাধিক নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে পারে। নিচু এলাকায় জল জমা ও প্লাবনের আশঙ্কার পাশাপাশি পাহাড়ে ধস নামার ঝুঁকিও রয়েছে। কৃষিজমিরও ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস। শনিবার ও রবিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে রয়েছে কমলা সতর্কতা। মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরেও কয়েক জায়গায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
[TECHTARANGA-POST:11023]
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। কলকাতাতেও শনিবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দু’-এক পশলা বৃষ্টি হলেও অস্বস্তিকর গরম ও আর্দ্রতা পুরোপুরি কাটবে না। তবে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতাসহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির পরিমাণও বাড়তে পারে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে মঙ্গলবারের পর ধীরে ধীরে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
Leave a comment