০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি কলকাতা অভিষেকের ইস্তফার চ্যালেঞ্জে শতাব্দীর পাল্টা তোপ, ‘৪ তারিখ ভাবলে তৃণমূল টুকরো হতো না’
কলকাতাদিল্লিরাজনীতি

অভিষেকের ইস্তফার চ্যালেঞ্জে শতাব্দীর পাল্টা তোপ, ‘৪ তারিখ ভাবলে তৃণমূল টুকরো হতো না’

Share
অভিষেকের ইস্তফার চ্যালেঞ্জে শতাব্দীর পাল্টা তোপ, ‘৪ তারিখ ভাবলে তৃণমূল টুকরো হতো না’
ছবি--প্রতীকী
Share

নয়াদিল্লি: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে চলা নজিরবিহীন কোন্দল এবার আরও প্রকাশ্য রূপ নিল। শনিবারই ‘কালীঘাট’ শিবিরের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দাবি করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দেগে দলত্যাগ করা নেতানেত্রীরা ফের দলে ফিরে এলে তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। 

নৈহাটি রোডে সিআইডির অভিযান, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র ও গুলি

কিন্তু এই মন্তব্যের মাত্র ১২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এবার অভিষেককে পাল্টা কড়া ভাষায় রাজনীতির পাঠ পড়ালেন তৃণমূলের চারবারের তারকা সাংসদ শতাব্দী রায়। সরাসরি অভিষেককে বিঁধে বীরভূমের এই দাপুটে নেত্রী সাফ জানান, এই কথাটি ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের দিন ভাবলে অনেক ভালো হতো। ৫ তারিখ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলে আজ তৃণমূল দলটা এভাবে ভেঙে টুকরো টুকরো হতো না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেত্রীর এই দুর্গতি দেখতে হতো না। শতাব্দীর এই বিস্ফোরক মন্তব্যে বাংলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:11063]

দিল্লিতে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর প্রাক্কালে রবিবার কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু একটি সর্বদল বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন। সেই বৈঠকে শতাব্দী রায়-সহ তৃণমূলত্যাগী ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে সকাল থেকেই তীব্র পারদ চড়েছিল। স্বীকৃত দল না হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁদের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আহ্বান জানানো হলো, সেই প্রশ্ন তুলে তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলির একটা বড় অংশ ক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করে। তবে এই রাজনৈতিক শোরগোলের মাঝেই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলত্যাগী ও ইস্তফা সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাঁকে তুলোধোনা করেন শতাব্দী রায়।

[TECHTARANGA-POST:11065]

শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে নিশানা করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন। তিনি চ্যালেঞ্জের সুরে বলেছিলেন যে, যাঁরা আজ দল ছেড়ে গিয়ে তাঁকে গালাগাল দিচ্ছেন বা দোষারোপ করছেন, তাঁরা হিম্মত থাকলে দিদির কাছে ফিরে আসুন। যদি তাঁরা ফিরে আসেন, তবে তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। একই সঙ্গে অভিষেকের অভিযোগ ছিল, দলত্যাগীরা তা করবেন না কারণ তাঁরা ইতিমধ্যেই বিজেপির সঙ্গে গোপন সমঝোতা করে ফেলেছেন এবং ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতেই দল ছেড়ে এখন অভিষেককে বলির পাঁঠা বানাচ্ছেন। এদিকে রবিবার সকালে কলকাতা থেকে দিল্লি উড়ে যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও অভিষেকের এই মন্তব্যে কার্যত দূরত্ব বজায় রেখেছেন সাংসদ সায়নী ঘোষ ও মালা রায়রা। একদা অভিষেক শিবিরের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বলে পরিচিত যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ এই বিষয়ে স্রেফ মুখে কুলুপ এঁটে জানান যে, অভিষেক কী বলেছেন তা তিনি শোনেননি, তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *