০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ‘কিছু ঘটলে কার‌ও নির্দেশের ওপর নির্ভর করবেন না, যা ইচ্ছে করে দেবেন’, মহিলাদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

‘কিছু ঘটলে কার‌ও নির্দেশের ওপর নির্ভর করবেন না, যা ইচ্ছে করে দেবেন’, মহিলাদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Share
'কিছু ঘটলে কার‌ও নির্দেশের ওপর নির্ভর করবেন না, যা ইচ্ছে করে দেবেন', মহিলাদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
ফাইল ছবি
Share

কলকাতা: স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের বাজেট পেশের দিনে রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তিলোত্তমার মহিলাদের চরম সুরক্ষার বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জবাবি ভাষণে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, নারী সুরক্ষা এবং শিশু নিরাপত্তা রক্ষা নিয়ে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বক্তব্য চলাকালীন তিলোত্তমার আরজি কর কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি রাজ্যের নারীদের আত্মরক্ষায় সরাসরি সোচ্চার হওয়ার অভয় বার্তা দেন তিনি।

বিধানসভায় আরজি কর হাসপাতালের মর্মান্তিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় এক বছর ধরে এই কাণ্ডের ফাইল চেপে রেখেছিলেন। দিল্লির বহুল আলোচিত নির্ভয়া মামলার উদাহরণ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দিল্লি পুলিশ যদি সময়মতো সঠিক আইনগত প্রক্রিয়া মেনে চার অপরাধীর ফাঁসি সুনিশ্চিত করতে পারে, তবে তৎকালীন রাজ্য সরকার কেন তেমন কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি? শুভেন্দু স্পষ্ট জানান, বর্তমান বিজেপি সরকার নারী নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল অপরাধকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেবে না এবং আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

[TECHTARANGA-POST:11179]

বক্তব্যের মাঝেই বিধানসভা কক্ষ থেকে রাজ্যের সমগ্র নারী সমাজের উদ্দেশ্যে এক সাহসী বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো মহিলার ওপর কোনোভাবে অন্যায়, নির্যাতন বা আক্রমণের চেষ্টা হলে কারও নির্দেশের বা অনুমতি নেওয়ার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই; নিজেদের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় যা করা দরকার, নির্দ্বিধায় তা-ই করে দিতে হবে। এই আত্মরক্ষার লড়াইয়ে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে মহিলাদের পাশে থাকবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

[TECHTARANGA-POST:11175]

রাজ্যের প্রতিটি নারী ও শিশুর চরম নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই যে তাঁর সরকারের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার, সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আইনের মাধ্যমে খুব শীঘ্রই এই জিরো টলারেন্স নীতির সুফল দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ একা নন, রাজ্য সরকার ও প্রশাসন সর্বতোভাবে নাগরিকদের পাশে রয়েছে বলে তাঁর এই বক্তব্য পরিষদীয় রাজনীতিতে ব্যাপক জল্পনা তৈরি করেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *