০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি অপরাধ ‘আগে ইস্তফা দিন শিক্ষামন্ত্রী, তবেই কথা!’ কেন্দ্রের আলোচনার প্রস্তাব ফেরালো অনড় বিরোধীরা, নিট-জটে কি অচল হতে চলেছে সংসদ?
অপরাধআইন-কানুনদিল্লিভারতবর্ষশিক্ষাঙ্গন

‘আগে ইস্তফা দিন শিক্ষামন্ত্রী, তবেই কথা!’ কেন্দ্রের আলোচনার প্রস্তাব ফেরালো অনড় বিরোধীরা, নিট-জটে কি অচল হতে চলেছে সংসদ?

Share
Share

নয়া দিল্লি: নিট ও প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আলোচনা নিয়ে কেন্দ্র ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও চিড়ে ভিজল না! নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় রইল বিরোধী শিবির। যার জেরে বৃহস্পতিবার ফের তুমুল হট্টগোলে উত্তাল হয়ে উঠল সংসদ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, সংসদের বাইরেও রীতিমতো সম্মুখসমরে অবতীর্ণ হলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের সাংসদরা।

কলকাতার পাশেই লুকিয়ে ডেনমার্কের এক টুকরো ইতিহাস! জানেন এই শহরের কথা?

বুধবার রাতেই কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যে, বিরোধীরা চাইলে সংসদে নিট ও প্রশ্নফাঁস-সহ যাবতীয় ইস্যুতে খোলামেলা আলোচনা হতে পারে। আলোচনার সময়সীমা এবং দিনক্ষণও বিরোধী শিবিরই ঠিক করবে বলে জানানো হয়। সরকার সব প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত থাকলেও বিরোধীদের সাফ শর্ত, কোনওরকম আলোচনা শুরুর প্রাথমিক শর্তই হল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করলে কোনও আলোচনা শুরু হতে পারে না বলে কড়া অবস্থান নিয়েছে তারা। ফলে সার্বিকভাবে সংসদের অচলাবস্থা এদিনও কাটল না।

[TECHTARANGA-POST:11183]

এই একই দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালেও সংসদের মকর দ্বারের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিরোধী শিবির। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পাশাপাশি পড়ুয়াদের ওপর নির্যাতনে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার দাবিতে স্লোগান দিতে শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদব-সহ শীর্ষ বিরোধী নেতানেত্রীরা। তবে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয় শাসক শিবিরও! রাহুল গান্ধীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ এবং পড়ুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগে পালটা স্লোগান শুরু করেন শাসক দলের সাংসদরাও। ফলে মকর দ্বারের সামনে একেবারে মুখোমুখি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।

[TECHTARANGA-POST:11114]

এরপর অধিবেশন শুরুর পরেও সেই একই চেনা ছবি দেখা যায়। ওয়েলে নেমে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হন বহু বিরোধী সাংসদ। স্পিকার ওম বিড়লা বারবার আশ্বাস দেন যে সরকারও এই ইস্যুতে আলোচনা চায়, কিন্তু তাতে কান না দিয়ে জোরদার স্লোগান চলতে থাকে। শেষমেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাধ্য হয়েই অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *