০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা বরুণ বিশ্বাস খুনে নতুন মোড়! মমতা-জ্যোতিপ্রিয়কে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ দাবি করে পুলিশের দ্বারস্থ সহযোদ্ধা
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

বরুণ বিশ্বাস খুনে নতুন মোড়! মমতা-জ্যোতিপ্রিয়কে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ দাবি করে পুলিশের দ্বারস্থ সহযোদ্ধা

Share
Share

প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন মোড়। এবার বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন বরুণের সহযোদ্ধা ও শিক্ষক নন্দদুলাল দাস। তাঁর অভিযোগ, ২০১২ সালের বরুণ বিশ্বাস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত তদন্ত হয়নি এবং সেই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

[TECHTARANGA-POST:11213]

গত মঙ্গলবার বনগাঁর পুলিশ সুপার কলিতা দাশগুপ্তের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন নন্দদুলাল দাস। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেন, তাঁর আবেদনকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে নতুন করে মামলার তদন্ত শুরু করা হোক। তাঁর বক্তব্য, বরুণ বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি এবং তদন্তের নামে প্রহসন হয়েছে। নন্দদুলাল দাস অতীতে বরুণ বিশ্বাসের সঙ্গে সুটিয়া গণধর্ষণ ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল ছিলেন। অভিযোগপত্রে তাঁর দাবি, বরুণের হত্যার প্রতিবাদ করায় তাঁকেও তৎকালীন সময়ে হেনস্থা ও ভয় দেখানো হয়েছিল। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে মাওবাদী তকমা দিয়ে মিথ্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর দাবি, প্রকৃত অভিযুক্তদের আড়াল করে অন্য রাজনৈতিক দলের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা হয়েছিল। অভিযোগপত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে হত্যাকাণ্ডের ‘ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে উল্লেখ করার পাশাপাশি তপন সিংহ, প্রদীপ ঘোষ, বিষ্ণু ঘোষ, সুখেন বালা, ধ্যানেশ গুহ, মিহির বিশ্বাস ও দেবেন ঘোষ-সহ আরও কয়েকজনের নামও রয়েছে। 

[TECHTARANGA-POST:11211]

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৫ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। সুটিয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের মামলায় তিনি ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। দীর্ঘ ১৪ বছর পরও এই মামলায় পূর্ণ বিচার হয়নি। তাই, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে পুনর্তদন্তের আবেদন জানিয়েছিল বরুণ বিশ্বাসের পরিবার। এরপরই রাজ্য সরকার মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়োগ করে। শুক্রবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে মামলার ৩৭তম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণও হয়েছে। 

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *