০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ দিল্লি ককরোচদের চাপে ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর! প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠালেন পদত্যাগপত্র
দিল্লিভারতবর্ষরাজনীতি

ককরোচদের চাপে ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর! প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠালেন পদত্যাগপত্র

Share
Share

অবশেষে হার মেনে নিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রায় এক মাস আগে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ক্রমশ এই আন্দোলনের প্রভাব দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এবার আরশোলা’দের দাবি মেনে নিয়ে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। যদিও তাঁর ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে কি না, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি।

[TECHTARANGA-POST:11255]

সূত্রের খবর, ককরোচ জনতা পার্টির প্রায় সব দাবিতেই নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছিল কেন্দ্র। তবে আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চেয়েছিল কেন্দ্র। এর মধ্যেই শনিবার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। ইস্তফার কথা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মেন্দ্র লেখেন, “দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দায়িত্ব থেকে কোনওদিন মুখ ফিরিয়ে নিইনি। নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় প্রথম দিন থেকেই স্বীকার করেছি। কোনও সময় মুখ লুকাইনি।” ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী পরিস্থিতির সুযোগ নিতে চাইছে। তারা যাতে কোনওভাবেই সফল না হয়, সেই কারণেই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই পদত্যাগ দেশের জন্য।”

[TECHTARANGA-POST:11246]

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে আন্দোলনের জয় বলে দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, “এটা কোনও ব্যক্তির নয়, দেশের পড়ুয়াদের জয়। নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে যাঁরা আত্মহত্যা করেছেন, এই জয় তাঁদের উৎসর্গ করছি। সবাই বলেছিল এই সরকার ঝুঁকবে না। কিন্তু আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, গণআন্দোলনের শক্তির সামনে শেষ পর্যন্ত সবাইকে মাথা নত করতেই হয়।” কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও আন্দোলন থামবে না বলে জানানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। পাশাপাশি আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। এখন বাকি দাবিগুলি নিয়ে কেন্দ্র কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর গোটা দেশের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *