০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home রাজনীতি কলকাতা মমতার ওপর হামলার প্রতিবাদে কালীঘাটের বিক্ষোভে নামল ঋত-শিবিরের ৩ বিধায়ক
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিরাজনীতি

মমতার ওপর হামলার প্রতিবাদে কালীঘাটের বিক্ষোভে নামল ঋত-শিবিরের ৩ বিধায়ক

Share
Share

কলকাতা: রবিবার হালিশহরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার ঘটনার জেরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদে সোমবার রাজ্য বিধানসভায় জোরালো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল কালীঘাট তৃণমূল। আর এই বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নাটকীয় মোড় আনলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের দুই বিধায়ক—মহম্মদ তৌসিফ রহমান এবং আব্দুল খালেক মোল্লা এবং বিভাস সর্দার।

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের আহ্বানে এদিনের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিধানসভার অন্দরে একপেশে ছবি বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলল। বিক্ষোভে রাজ্য বিধানসভার বর্ষীয়ান মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ শাসক দলের প্রথম সারির প্রায় সমস্ত নেতৃত্ব ও বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। তবে সকলের নজর কেড়ে নিয়েছে ঋত-শিবিরের এই তিন বিধায়কের উপস্থিতি।

উল্লেখ্য, রবিবার হালিশহরে থানা হেফাজতে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে চরম বিক্ষোভে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বীজপুর থানা এলাকার হালিশহরে পৌঁছতেই স্থানীয়দের একাংশের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। মমতাকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান ওঠার পাশাপাশি তাঁর কনভয় ঘিরে ধরে গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে। এমনকি গাড়ির কাচেও কাদা লেপে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ সামনে আসে।

মূলত হালিশহর থানার লকআপে বিরজু কেয়ট নামে এক তৃণমূল কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই এই উত্তেজনার সূত্রপাত। নিহত বিরজুর স্ত্রী জেনি শর্মা কেয়ট নদিয়ার কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। সম্প্রতি এক স্থানীয় মহিলার করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তোলাবাজি, ভয় দেখানো, আর্থিক প্রতারণা এবং বেআইনি অস্ত্র আইন সহ একাধিক জামিনঅযোগ্য ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছিল।

পুলিশের দাবি, গত শুক্রবার ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করার পর বিচারক বিরজুকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। কিন্তু শনিবার সকালে থানা হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই তিনি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যদিও পুলিশের এই তত্ত্ব মানতে নারাজ নিহতের পরিবার। তাঁদের সাফ অভিযোগ, থানা হেফাজতে পুলিশি নির্যাতনে এবং বেধড়ক মারধরেই খুন হয়েছেন বিরজু। যদিও ব্যারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ সমস্ত মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে।

[TECHTARANGA-POST:11568]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles