০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা দুধ কাণ্ডে অসহায় পরিবারের পাশে মমতা! ‘নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?’ পাল্টা প্রশ্ন শুভেন্দুর
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

দুধ কাণ্ডে অসহায় পরিবারের পাশে মমতা! ‘নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?’ পাল্টা প্রশ্ন শুভেন্দুর

Share
Share

কলকাতাঃ ফুটপাথে নাতির জন্য দুধ গরম করার ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা থামার নামই নেই। অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই মন্তব্যেরই পালটা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশ্ন তুললেন, “উনি নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?”

[TECHTARANGA-POST:11937]

সম্প্রতি পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথে নাতির জন্য দুধ গরম করছিলেন এক বৃদ্ধা। ফুটপাথে আগুন জ্বালানোয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তাঁকে দুধ গরম করতে বাধা দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এরপর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়। অগ্নিমিত্রা পালও পরে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান, শিশুটির মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি। শুধু বিপদের আশঙ্কায় তাঁকে ফুটপাথ থেকে সরে যেতে বলা হয়েছিল। এরপর সোমবার ফেসবুক লাইভে বিষয়টি নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি জানান, পরিবারটি রাজি থাকলে কোনও কর্মীর বাড়িতে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে চান। পাশাপাশি শিশুটির পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার কথাও বলেন।

[TECHTARANGA-POST:11915]

মমতার সেই বক্তব্য নিয়েই এবার পাল্টা আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝে প্রসঙ্গটি উঠতেই তিনি প্রশ্ন করেন, “উনি নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?” এরপর মমতাকে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, “কথা কম বলুন, অনেক বয়স হয়েছে।” শুধু তাই নয়, মমতার কর্মীর বাড়িতে থাকার প্রস্তাব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এর আগে হালিশহরে এক কর্মীর বাড়িতে মমতাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “কর্মীরাই ওনাকে ভরসা করে না। এসব বলে কী লাভ!” অন্যদিকে, এই ঘটনায় নিজের প্রশাসনের পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন এবং তাঁদের অর্থসাহায্য দেওয়া হয়েছে। চাকরির বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। 

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *