০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ পশ্চিমবঙ্গ দেশে আর গোনা হবে না ভিক্ষুক! শীর্ষে থাকা বাংলার তকমা কি তবে ঘুচতে চলেছে? কেন্দ্রের বড় পদক্ষেপে শোরগোল
পশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষভারতবর্ষরাজনীতি

দেশে আর গোনা হবে না ভিক্ষুক! শীর্ষে থাকা বাংলার তকমা কি তবে ঘুচতে চলেছে? কেন্দ্রের বড় পদক্ষেপে শোরগোল

Share
Share

নয়াদিল্লি: দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির আসল চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় জনগণনা। তবে আসন্ন জনগণনায় বাদ পড়তে চলেছে একটি অত্যন্ত পরিচিত বিভাগ। দেশের জনগণনার ইতিহাসে এই প্রথম ‘ভিক্ষুক ও ভবঘুরে’ (beggars and vagrants etc.) নামে পৃথক কোনও শ্রেণি রাখা হচ্ছে না। কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বার আর দেশে ভিক্ষুক ও ভবঘুরেদের সংখ্যা আলাদা করে চিহ্নিত বা গণনা করা হবে না। প্রশ্নমালার ‘নন-ইকোনমিক অ্যাক্টিভিটি’ বা অ-অর্থনৈতিক কার্যকলাপের তালিকা থেকে ‘ভিক্ষুক এবং ভবঘুরে ইত্যাদি’ ক্যাটাগরিটি সম্পূর্ণ ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে কোন রাজ্যে কত ভিক্ষুক রয়েছেন কিংবা তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়স কত—সেই সম্পর্কিত আলাদা কোনও নির্দিষ্ট তথ্যভাণ্ডার আর প্রকাশ পাবে না।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ববর্তী জনগণনাগুলিতে এই সংক্রান্ত তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছিল। সামাজিক কলঙ্ক বা সংকোচের ভয়ে অনেকেই এই বিভাগে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করাতে চাননি। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৯১ সালে প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ, ২০০১ সালে ৬ লক্ষের কিছু বেশি এবং ২০১১ সালের গণনায় দেশজুড়ে মাত্র ৪ লক্ষের কিছু বেশি মানুষকে ভিক্ষুক বা ভবঘুরে হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছিল, যা বাস্তবে সঠিক চিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেই বিশেষজ্ঞদের মত। নতুন নিয়মে তাঁদেরকে পড়ুয়া বা পেনশনভোগীদের মতো আলাদা সারিতে না রেখে স্রেফ ‘অন্যান্য’ সাধারণ বিভাগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পূর্ববর্তী গণনায় ৮১ হাজারেরও বেশি ভিক্ষুক নথিভুক্ত হওয়ায় তালিকার শীর্ষে জায়গা পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা উত্তরপ্রদেশে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার। নতুন এই নিয়মের জেরে পরবর্তী জনগণনায় রাজ্যভিত্তিক এই ধরনের তুলনামূলক তথ্য আর সামনে আসবে না। ভিক্ষাবৃত্তির আলাদা বিভাগ বাদ দেওয়ার পাশাপাশি সেনসাস ২০২৭-এর প্রশ্নপত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো অভিবাসনের কারণ হিসেবে এ বার ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ’-কে আলাদা কারণ হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে।

আগের জনগণনায় কাজ, ব্যবসা, শিক্ষা, বিয়ে, জন্মের পর পরিবারের সঙ্গে স্থানান্তর এবং অন্যান্য কারণের মতো বিষয়গুলি নথিভুক্ত করা হতো। এ বার প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কেউ স্থানান্তরিত হয়েছেন কি না, সেটিও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হবে।

[TECHTARANGA-POST:11949]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *