০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা কলকাতা বইমেলায় নজিরবিহীন মোড়! ছাঁটাই ত্রিদিব-সুধাংশুরা, ২৪ সদস্যের নতুন কমিটি গড়ে দিল রাজ্য সরকার
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গসাহিত্য

কলকাতা বইমেলায় নজিরবিহীন মোড়! ছাঁটাই ত্রিদিব-সুধাংশুরা, ২৪ সদস্যের নতুন কমিটি গড়ে দিল রাজ্য সরকার

Share
Share

কলকাতা: কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার অ্যাডভাইজরি কমিটিতে বড়সড় রদবদল ঘটল। রাজ্য প্রশাসনে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘদিনের পুরোনো কমিটিকে ভেঙে নতুন সদস্য এনে পুনর্গঠন করা হল এই অ্যাডভাইজরি কমিটি।

দীর্ঘদিনের চেনা কাঠামোয় বড়সড় বদল এনে এবার বইমেলার জন্য ২৪ সদস্যের এক নতুন কমিটি গঠন করল রাজ্য সরকার। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, রাজ্য সরকারের গঠিত এই নতুন কমিটিতে জায়গা পাননি পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশুশেখর দে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তর স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় স্পষ্ট হয়েছে এই রদবদলের রূপরেখা। নবান্নে ১৭ ও ২১ আগস্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই নতুন কমিটি গড়ে বইমেলার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় বহুমাত্রিক ভারসাম্যের বার্তা দিল প্রশাসন।

নবান্ন সূত্রের খবর, ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা যৌথভাবে আয়োজন করবে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড, ইজেডসিসি এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট। আর এই বিশাল কর্মযজ্ঞের যাবতীয় দিকনির্দেশ ও পরামর্শ দেবে রাজ্য সরকারের গঠিত এই ২৪ জনের বিশেষ কমিটি। নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী আর্যেশানন্দ, ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী সারস্বতানন্দ, ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট ও জনশিক্ষা প্রসার দপ্তরের প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি গিল্ডের তরফে রয়েছেন দেবজ্যোতি দত্ত, অনিল আচার্য, মিলিন্দ দে ও রাজকুমার বর্মন। এছাড়াও কমিটিতে রাখা হয়েছে দেবজিৎ সরকার, সপ্তর্ষি চৌধুরি, প্রসেনজিৎ বক্সি, বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুকেশ মণ্ডল, মোহিত রায়, ওসমান গণি এবং আশিস গিরিদের মতো ব্যক্তিত্বদের।

আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলাকে কোনও একক সংগঠনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করে সকল ছোট-বড় প্রকাশক, মুদ্রাকর ও বিক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বইমেলায় ভারতীয়ত্বের ছাপ রাখার পাশাপাশি এটিকে সবার বিচরণক্ষেত্র করে তোলার বার্তা দিয়েছিলেন। সেখানে আরএসএস দক্ষিণবঙ্গের প্রচারক প্রমুখ জিষ্ণু বসু ও বহু প্রকাশক-মুদ্রাকর উপস্থিত ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নবান্নের এই পদক্ষেপ বইমেলার সার্বিক পরিকাঠামো ও ব্যবস্থাপনায় এক আমূল বদল আনতে চলেছে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

[TECHTARANGA-POST:11994]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *