০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব কণ্ঠে অসহায়তা, চোখে জল! নেপালের বিপর্যয়ে পুণ্যার্থীদের খোঁজ না পেয়ে ভেঙে পড়লেন সদগুরু
বিশ্বভারতবর্ষ

কণ্ঠে অসহায়তা, চোখে জল! নেপালের বিপর্যয়ে পুণ্যার্থীদের খোঁজ না পেয়ে ভেঙে পড়লেন সদগুরু

Share
Share

কাঠমাণ্ডু: মানুষ তাঁকে দেখেছে শান্ত, স্থির এবং সংযত অবস্থায়। কিন্তু নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কথা বলতে গিয়ে সেই সদগুরুই কান্নায় ভেঙে পড়লেন। কাঁপছিল হাত-পা। কারণ, নেপালে আটকে থাকা ঈশা ফাউন্ডেশনের পুণ্যার্থীদের কয়েকজনের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

ঈশা ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, তাদের ৭৪৩ জন পুণ্যার্থী এখনও তিব্বতে রয়েছেন। নেপালে রয়েছেন আরও ১৪৮ জন। তাঁদের মধ্যে অভিবাসন দপ্তরের নথিতে থাকা ৭৭ জনের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি বলেন, ”ধ্বংসের চেহারাটা দেখুন। কী ভয়ংকর! কী অস্বাভাবিক ও বীভৎস…” পরে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালেই তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যেতে চান। কিন্তু বিপর্যয়ের পরিস্থিতিটা এতই ভয়াবহ যে যেতে পারার সম্ভাবনা কম। সদগুরু বলছেন, ”এখন পর্যন্ত আমরা কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাইনি… তবে ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা দেখে পরিস্থিতি ভালো মনে হচ্ছে না।” আটকে থাকা পুণ্যার্থীদের পরিস্থিতি জানতে ভারত, চিন ও আমেরিকার দূতাবাসের মাধ্যমে অনুমতি চাওয়া হচ্ছে। 

জানা গিয়েছে, নেপালের এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায়। সেখান থেকে জল নেমে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে নেপালের রসুয়া জেলা। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার আচমকা নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার পরই সীমান্তবর্তী এলাকায় হড়পা বান নামে। জলের প্রবল স্রোতে বহু বাড়ি, সেতু ও যানবাহন ভেসে গিয়েছে। মানস সরোবরের পথে আটকে পড়েছেন বহু কৈলাসযাত্রী। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *