০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিনোদন ব্রালেট নাকি তিলক? কৃতি স্যাননের রাখি বিজ্ঞাপন বিতর্কে এবার নতুন যুক্তি কঙ্গনা রানাওয়াতের
বিনোদন

ব্রালেট নাকি তিলক? কৃতি স্যাননের রাখি বিজ্ঞাপন বিতর্কে এবার নতুন যুক্তি কঙ্গনা রানাওয়াতের

Share
Share

একটি গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থার রাখি স্পেশ্যাল বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে বলিউড অভিনেত্রী কৃতি স্যানন ও বিজেপি সাংসদ-অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের মধ্যে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। প্রাথমিক সমালোচনার পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন কঙ্গনা। যদিও কঙ্গনা বা সমালোচকদের নাম না নিয়েই কৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, রাখিবন্ধন হলো সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি। নারীদের পোশাকের মাধ্যমে তাঁদের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা মাপা বন্ধ হবে কবে? তাঁর মূল বক্তব্য ছিল, “সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থাকে হৃদয়ে, গলার নেকলাইনে নয়!”

 কৃতির ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি নিজের স্টোরিতে রিশেয়ার করে রাহুল গান্ধী কৃতিকে তার সমর্থন নিশ্চিত করেন। এরপরই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানান, তিনি কারও পোশাকের স্বাধীনতায় বাধা দিতে চান না। ব্রালেট বা পোশাক বিতর্কের মূল বিষয় নয়। একজন নারী যেকোনো পোশাক পরতে পারেন, কিন্তু সাংস্কৃতিক উৎসবের একটি নিজস্ব মর্যাদা থাকে। কঙ্গনা বিজ্ঞাপনের দৃশ্যপট নিয়ে আরও অভিযোগ করেন, হিন্দু উৎসবের আবশ্যক উপাদান—যেমন ঈশ্বরের ছবি, তিলক, প্রদীপ, ধূপ কিংবা হালুয়া-পুরির মতো কোনো আয়োজন ছিল না।

উল্লেখ্য, একটি গয়না প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড ‘জিভা’র (GIVA) রাখি স্পেশ্যাল প্রচার ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় বিতর্কের ঝড় ওঠে। বিজ্ঞাপনে বলিউড অভিনেত্রী কৃতি স্যাননকে একটি ইন্দো-ওয়েস্টার্ন পোশাকে—আইভরি রঙের ব্রালেট ব্লাউজ, কেপ ও ড্র্যাপড স্কার্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। সেখানে তিনি রাখি উৎসবে তাঁর ভাইয়ের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য হিসেবে পোষ্য কুকুরকেও রাখি পরাচ্ছিলেন। এরপরই বিজেপি সাংসদ-অভিনেত্রী কঙ্গনা সামাজিক মাধ্যমের ক্ষোভের মধ্যেই ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সরাসরি তোপ দাগেন; রাখি উদযাপনের মতো একটি পারিবারিক ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে এমন খোলামেলা বা অন্তর্বাস ধাঁচের আধুনিক পোশাক কেন পরা হয়েছে। কঙ্গনার এই মন্তব্যের পরই বিষয়টি রূপ নেয় হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্বে।

বিতর্ক তীব্র রূপ নেওয়ায় এবং সাইবার স্পেসে বয়কটের ডাক ওঠায় বিজ্ঞাপন সংস্থা জিভা (Giva) বিজ্ঞাপনটি সমস্ত মাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানায়, কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক অনুভূতিতে আঘাত করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *