০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ জলপাইগুড়ি মজদুরের হাতে মেডিক্যাল থেকে বিল্ডিং প্ল্যান! মাল পৌরসভায় দায়িত্ব বণ্টন ঘিরে বিতর্ক
জলপাইগুড়িপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

মজদুরের হাতে মেডিক্যাল থেকে বিল্ডিং প্ল্যান! মাল পৌরসভায় দায়িত্ব বণ্টন ঘিরে বিতর্ক

Share
Share

জলপাইগুড়িঃ মজদুর পদে চাকরি, অথচ হাতে পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজ! মাল পৌরসভাকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। তারই মাঝে এবার উঠে এল কর্মীদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, চতুর্থ শ্রেণির কর্মী হিসেবে নিযুক্ত কয়েকজনকে পুরসভার এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণত নির্দিষ্ট প্রশাসনিক পদে থাকা কর্মীদের সামলানোর কথা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, কোন নিয়মে তাঁদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল?

[TECHTARANGA-POST:12163]

অভিযোগকারীদের দাবি, মজদুর পদে থাকা কয়েকজন কর্মীর কেউ মেডিক্যাল বিভাগের কাজ সামলাচ্ছেন, কেউ বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত। আবার কারও হাতে কম্পিউটারে বসে পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দফতরের কাজ পরিচালনার দায়িত্বও রয়েছে বলে অভিযোগ। মজদুর পদে নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের কি নিয়ম মেনে অন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব দেওয়া যায়? অভিযোগকারীদের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের কারও সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের পরিবারের যোগ রয়েছে, আবার কেউ তৎকালীন পুর চেয়ারম্যান স্বপন সাহার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। যদিও অভিযুক্ত কর্মীদের বক্তব্য, তৎকালীন চেয়ারম্যানের নির্দেশেই তাঁদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এই দায়িত্ব বণ্টনের ঘটনা ঘটেছিল প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন সাহার সময়েই। সেই সময় পুরসভার নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে অভিযোগ। 

[TECHTARANGA-POST:12161]

বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক রাকেশ নন্দীর অভিযোগ, আগের পুরবোর্ডের আমলে মাল পৌরসভায় একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে সিপিআইএমও। দলের মাল এরিয়া কমিটির সম্পাদক রাজা দত্তের বক্তব্য, গোটা বিষয়টি তদন্ত করে সত্য সামনে আনা প্রয়োজন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *