০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিনোদন পিজি থেকে ধ্বংসস্তূপ! দিল্লির ধসের পর সরকারের কাছে বড় আর্জি সোনুর
বিনোদন

পিজি থেকে ধ্বংসস্তূপ! দিল্লির ধসের পর সরকারের কাছে বড় আর্জি সোনুর

Share
পিজি থেকে ধ্বংসস্তূপ! দিল্লির ধসের পর সরকারের কাছে বড় আর্জি সোনুর
ছবি সংগৃহীত
Share

রবিবার দুপুরে দিল্লির সত্য নিকেতনে একটি ছ’তলা বাড়ি ভেঙে পড়ে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরই পড়ুয়াদের নিরাপদ থাকার জায়গা নিয়ে সরব হলেন সোনু সুদ। মঙ্গলবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে অভিনেতা প্রশ্ন তুলেছেন, পড়াশোনার জন্য অন্য শহরে আসা ছাত্রছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ আবাসন কেন থাকবে না? 

[TECHTARANGA-POST:12415]

সত্য নিকেতনের ওই বাড়িতে পিজি চলত। ফলে সেখানে থাকা আবাসিকদের একটা বড় অংশই ছিলেন কলেজ পড়ুয়া। বাড়িটি ভেঙে পড়ার পর একাধিক পড়ুয়া ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির বিধায়ক অনিল শর্মা জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন কংক্রিটের নীচে থেকেও ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন। আটকে থাকা পড়ুয়াদের উদ্ধারে চলছে তল্লাশি। মঙ্গলবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন অভিনেতা। সোনুর কথায়, ‘প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া নিজেদের বাড়ি ছেড়ে অন্য শহরে পাড়ি দেয় স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে। কিন্তু আমরা তাঁদের থাকার জন্য নিরাপদ জায়গা দিতে পারছি? দিল্লিতে প্রায় সাত লক্ষ পড়ুয়া পড়াশোনা করে। অথচ হস্টেলে থাকার আসন রয়েছে মাত্র ৩০ হাজারের কাছাকাছি বা তার থেকে কিছু বেশি। অর্থাৎ ৩১ জন পড়ুয়ার মধ্যে মাত্র একজন হস্টেলে থাকার সুযোগ পায়।’

[TECHTARANGA-POST:12412]

সমাধানের পথ হিসেবে সরকারি জমি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন সোনু। তাঁর প্রশ্ন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আশপাশে পড়ে থাকা সরকারি জমি চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী ছাত্রাবাস তৈরি বা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া যায় না কেন? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও অতিরিক্ত নির্মাণের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে, যাতে ক্যাম্পাসের মধ্যেই আরও আবাসনের ব্যবস্থা করা যায়। এর ফলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে। বাবা-মায়েরাও নিশ্চিন্ত হবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আমরা মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারব। পড়ুয়াদের সব স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে।’

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *