০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ দিল্লি ভোটার তালিকায় অতিরিক্ত ‘F’, এসআইআরের খপ্পরে ভারতরত্ন সিএনআর রাও!
দিল্লিভারতবর্ষভারতবর্ষ

ভোটার তালিকায় অতিরিক্ত ‘F’, এসআইআরের খপ্পরে ভারতরত্ন সিএনআর রাও!

Share
ভোটার তালিকায় অতিরিক্ত 'F', এসআইআরের খপ্পরে ভারতরত্ন সিএনআর রাও!
Share

বেঙ্গালুরু: ভোটার তালিকা সংশোধনের খাঁড়া থেকে রেহাই পেলেন না খোদ দেশের শীর্ষ বিজ্ঞানী এবং ভারতরত্ন সিএনআর রাও-ও। কর্নাটকে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) বা ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখার বিশেষ প্রক্রিয়ার জেরে এবার নাম সংক্রান্ত বিভ্রাটের নোটিস পৌঁছল তাঁর কাছেও। 

অবশ্য এই প্রথম নয়। সম্প্রতি কর্নাটকের আর এক সম্মানীয় পদ্মশ্রী প্রাপক হরে কলা হাজাব্বাকেও একই ধরনের নাম বিভ্রাটের নোটিসে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল। যদিও নির্বাচন কমিশনের দাবি অনুযায়ী পরবর্তীকালে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। সেই একই তালিকায় এবার যুক্ত হল বিশ্ববরেণ্য ভারতীয় রসায়নবিদের নাম।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরোনো ভোটার তালিকায় বিজ্ঞানী রাওয়ের নাম নথিভুক্ত ছিল ‘Prof CNR Rao’ হিসেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক ডিজিটাল নথিতে একটি অতিরিক্ত ইংরেজি হরফ ‘F’ যুক্ত হয়ে তা দাঁড়িয়েছে ‘Proff CNR Rao’। ইংরেজি বানান বা পদবিতে এই সামান্য একটি অক্ষরের গরমিলকে “আত্ম-নামের অমিল” (Self-name mismatch) হিসেবে চিহ্নিত করে কমিশন। এই অসঙ্গতি দূর করতেই বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরম এলাকায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুনানি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিস জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

তবে এই নোটিস নিয়ে বিজ্ঞানীর দফতরের তরফে কিছুটা ধোঁয়াশা প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর অফিসের এক প্রতিনিধি সংবাদমাধ্যমকে জানান, নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে অনলাইনে এই সংক্রান্ত তথ্য দেখা গেলেও, তাঁদের কাছে এখনও কোনও লিখিত বা শারীরিক নোটিস পৌঁছায়নি। ইমেইলেও এমন কোনও বার্তা মেলেনি। শুধুমাত্র ‘Prof’ শব্দের বানানে একটা বাড়তি ‘f’ ছাড়া প্রবীণ এই বিজ্ঞানীর তথ্যে আর কোনও ভুল নেই বলেও জানান তিনি।

১৯৩৪ সালে বেঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণকারী সিএনআর রাও সলিড-স্টেট কেমিস্ট্রি, ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এবং স্ট্রাকচারাল কেমিস্ট্রির জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭৬ সালে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে (IISc) সলিড স্টেট অ্যান্ড স্ট্রাকচারাল কেমিস্ট্রি ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা থেকে শুরু করে ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ১৬০০-রও বেশি গবেষণাপত্রের রচিয়তা ও আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত এই অনন্য ব্যক্তিত্বকে প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে এমন জটিলতার মুখে পড়তে হওয়ায় ক্ষোভ জমেছে রাজনৈতিক ও নাগরিক সচেতন মহলগুলিতে। ভোটার তালিকা নিখুঁত করার নামে ভিআইপি ও সাধারণ মানুষকে এভাবে হেনস্থা করা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *