০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা Surendranath Law College:সারারাত অন্ধকার ঘরে পণবন্দি উপাধ্যক্ষ, অবশেষে ইস্তফাপত্রে সই! সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের বিক্ষোভ চলছেই
কলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গশিক্ষাঙ্গন

Surendranath Law College:সারারাত অন্ধকার ঘরে পণবন্দি উপাধ্যক্ষ, অবশেষে ইস্তফাপত্রে সই! সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের বিক্ষোভ চলছেই

Share
Surendranath Law College:সারারাত অন্ধকার ঘরে পণবন্দি উপাধ্যক্ষ, অবশেষে ইস্তফাপত্রে সই! সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের বিক্ষোভ চলছেই
সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের বিক্ষোভ অব্যাহত। ছবি-নিজস্ব
Share

কলকাতা: পরীক্ষায় বসার নিয়ম ও ক্লাসের উপস্থিতির হারকে কেন্দ্র করে চরম অচলাবস্থার সাক্ষী থাকল কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজ। দাবি আদায়ে একটানা সারারাত উপাধ্যক্ষকে ঘরে বন্দি করে রাখার পর অবশেষে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হলেন উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তারান্নুম। তবে শুক্রবার দুপুরে তাঁর এই লিখিত পদত্যাগের পরেও বিক্ষোভের আঁচ পুরোপুরি কমেনি; ইস্তফাপত্রটি অফিশিয়ালি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ইমেল মারফত পাঠানোর নিশ্চয়তা চেয়ে অবস্থানে অনড় থাকেন আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত বুধবার, যখন কলেজ কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দেন যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষায় বসার প্রয়োজনীয় উপস্থিতি না থাকলে ফর্ম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। বিশেষত যাদের উপস্থিতি ৪০ শতাংশের নিচে, তাদের সরাসরি পরের বছর পরীক্ষা দিতে বলা হয়। কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশের প্রতিবাদেই বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। পড়ুয়াদের পালটা অভিযোগ, কলেজে নিয়মিত পর্যাপ্ত ক্লাস নেওয়া হয়নি এবং পরিকাঠামোর ত্রুটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে অভিযোগ জানানোর কারণেই কর্তৃপক্ষ সকাল সাড়ে আটটার পরিবর্তে ভোর ছ’টা থেকে ক্লাস শুরুর নির্দেশ দেন। সাতসকালে শহরে মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক না থাকায় দূরদূরান্ত থেকে সময়ে পৌঁছতে না পেরে বহু পড়ুয়ার উপস্থিতির হার হু হু করে নিচে নেমে যায় বলে দাবি ছাত্রদের। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ এই যুক্তি সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়ে দাবি করেছেন, ক্লাসের সময় বদলের বিজ্ঞপ্তি জুলাই মাসেই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল এবং দীর্ঘ সময় সুযোগ পেয়েও বহু পড়ুয়া সন্তোষজনক উপস্থিতি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এই টানাপোড়েনের মাঝেই বৃহস্পতিবার পরীক্ষার ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গেলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উপাধ্যক্ষের পদত্যাগ ও সবাইকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার দাবিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্রছাত্রীরা। উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তারান্নুমের ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে গোটা রাত তাঁকে সহ একাধিক কর্মীকে কার্যত পণবন্দি করে রাখা হয়। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের সামনে উপাধ্যক্ষ অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে তিনি প্রশাসনের সহায়তা চেয়েও কোনও সাহায্য পাননি। অবশেষে তীব্র মানসিক চাপ ও টানা আন্দোলনের মুখে শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ লিখিত পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেন তিনি। তবে সেই চিঠিটি নিয়মমাফিক ইমেল না করা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে একচুলও নড়তে নারাজ ক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা।

[TECHTARANGA-POST:12533]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *