০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home রাজনীতি কলকাতা Election Commission: সিন্দুকে বন্ধ জোড়াফুল! কমিশনের মুক্ত তালিকা থেকে নতুন নাম ও প্রতীক বাছল কালীঘাট ও ঋতব্রত শিবির
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিরাজনীতি

Election Commission: সিন্দুকে বন্ধ জোড়াফুল! কমিশনের মুক্ত তালিকা থেকে নতুন নাম ও প্রতীক বাছল কালীঘাট ও ঋতব্রত শিবির

Share
Election Commission: সিন্দুকে বন্ধ জোড়াফুল! কমিশনের মুক্ত তালিকা থেকে নতুন নাম ও প্রতীক বাছল কালীঘাট ও ঋতব্রত শিবির
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে চরম আপত্তি ও ক্ষোভ থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত আইনি বাধ্যবাধকতায় নতিস্বীকার করতে হলো দুই পক্ষকেই। তৃণমূলের পরিচিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক এবং ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ফ্রিজ হতেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে বিকল্প নাম ও চিহ্ন জমা দিল কালীঘাট এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইতিমধ্যেই কমিশনকে কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে উপনির্বাচনের লড়াইয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ইমেলের মাধ্যমে বিকল্প তিনটি নাম ও সম্ভাব্য ৩টি চিহ্নের তালিকা জমা দিয়েছে কালীঘাট। একইভাবে শুক্রবার সকালে নির্বাচন সদনে নিজেদের পছন্দসই বিকল্প জমা দিয়েছে ঋতব্রতদের গোষ্ঠীও।

সূত্র অনুযায়ী, মমতার জমা দেওয়া বিকল্প দলীয় নামের ক্ষেত্রে ‘ম’ অক্ষরটি বজায় রাখার একটি বিশেষ প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। তবে কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে নিজেদের আপত্তির জায়গাটা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে কালীঘাট শিবির। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই এই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য বলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। ফলে আগামী দিনে কমিশনকে চাপ দিতে আদালতের দরজায় কড়া নাড়ার রাস্তাও খোলা রাখছে মমতার অনুগামীরা। দীর্ঘ ২৮ বছর আগে ১৯৯৮ সালে যে জোড়াফুল প্রতীক মমতা নিজের হাতে এঁকেছিলেন, আজ তা হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষুব্ধ কালীঘাটের অন্দরমহল।

অন্যদিকে, বিক্ষুব্ধ ঋতব্রত শিবির নিজেদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছে দুটি নাম— ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ অথবা ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস’। প্রতীক হিসেবে তারা গুরুত্ব দিচ্ছে চিঠি রাখার খাম, ব্ল্যাকবোর্ড এবং টর্চকে। কমিশনের ১৮৪টি মুক্ত প্রতীকের তালিকা থেকে দুই শিবিরই নিজেদের পছন্দসই চিহ্ন বেছে নিয়েছে। এর মধ্যে খাম বা টর্চের মতো কিছু প্রতীক রাজ্যে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও ব্যবহার করে থাকে। তবে কমিশন ছাড়পত্র দিলে দুই পক্ষই নিজেদের নতুন নামের পাশে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর সঙ্গে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করতে পারবে। দীর্ঘ ২৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার রাজ্যে এমন দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হতে চলেছে, যেখানে ইভিএম মেশিনে থাকবে না ঐতিহাসিক জোড়াফুল প্রতীক। এখন দেখার, এই হাইভোল্টেজ দ্বন্দ্বে কোন শিবিরের ঝুলিতে কোন নতুন পরিচয় তুলে দেয় নির্বাচন কমিশন।

[TECHTARANGA-POST:12725]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles