০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা West Bengal Health Department: ৮২৯ কোটির সরকারি যন্ত্রপাতি উধাও! হাসপাতালে দেদার ‘চুরি’, চরম সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য ভবনের
কলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গস্বাস্থ্য

West Bengal Health Department: ৮২৯ কোটির সরকারি যন্ত্রপাতি উধাও! হাসপাতালে দেদার ‘চুরি’, চরম সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য ভবনের

Share
West Bengal Health Department: ৮২৯ কোটির সরকারি যন্ত্রপাতি উধাও! হাসপাতালে দেদার 'চুরি', চরম সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য ভবনের
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মানোন্নয়নে কোটি কোটি টাকার কেন্দ্রীয় বরাদ্দ মিললেও একের পর এক হাসপাতালে নজিরবিহীন চুরির কাণ্ড! কম্পিউটার থেকে শুরু করে ব্যাটারি, ওয়্যার বক্স—সবকিছুই উধাও একের পর এক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে। পঞ্চাদশ অর্থ কমিশনের দেওয়া প্রায় ৮২৯ কোটি টাকার স্বাস্থ্য অনুদানে কেনা আধুনিক পরিকাঠামোর সরঞ্জাম গায়েব হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ঘটনায় যুক্ত ও গাফিলতিতে অভিযুক্ত কর্মীদের বেতন থেকে সরাসরি টাকা কেটে নেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য ভবন।

স্বাস্থ্য দপ্তরের সাম্প্রতিক এই নির্দেশিকায় রীতিমতো কম্পন ধরেছে সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের (CMOH) মধ্যে। স্বাস্থ্য ভবনের নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মোট ৬৪টি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি ও উধাও হওয়ার সুনির্দিষ্ট খবর মিলেছে। যার মধ্যে রয়েছে ৫০টি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ১৩টি ব্লক প্রাথমিক হেল্‌থ ইউনিট এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। বাঁকুড়া, হাওড়া, কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর, বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো বিস্তীর্ণ এলাকায় এই কারচুপি ও চুরি হয়েছে বলে চিহ্নিত করেছে দপ্তর।

পরিস্থিতির মোকাবিলায় অত্যন্ত কড়া মনোভাব নিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন। সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের অবিলম্বে স্থানীয় থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, চুরি যাওয়া সরঞ্জামের সম্পূর্ণ তালিকা ও দায়ের করা এফআইআরের কপি দ্রুত সিএমওএইচ-এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠাতে হবে।

স্বাস্থ্য ভবনের বার্তায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যে চিকিৎসক, নার্স বা প্রশাসনিক আধিকারিকদের হেফাজতে এই কোটি কোটি টাকার সরঞ্জাম রাখার আইনি দায়িত্ব ছিল, তদন্তে তাঁদের সামান্য গাফিলতি মিললেও কোনো রেয়াত করা হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই, পাশাপাশি চুরি যাওয়া আধুনিক যন্ত্রপাতির সম্পূর্ণ সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের বেতন কেটে উসুল করা হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর আঘাত ও সরকারি কোষাগারের টাকা নয়ছয় রুখতে সরকারের এই কড়া পদক্ষেপে চোর ও অসাধু চক্রের ঘুম উড়েছে।

[TECHTARANGA-POST:12899]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *