০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home প্রাকৃতিক দুর্যোগ দার্জিলিং Siliguri Sikkim NH10: শিলিগুড়ি-সিকিম ‘লাইফ লাইনে’ ভয়াবহ ধস! তিস্তার স্রোতে বাড়ছে শঙ্কা, পুজোর মুখে ঘোর বিপদে পর্যটকরা
দার্জিলিংপরিবেশ ও আবহাওয়াপশ্চিমবঙ্গপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রাকৃতিক দুর্যোগশিলিগুড়ি

Siliguri Sikkim NH10: শিলিগুড়ি-সিকিম ‘লাইফ লাইনে’ ভয়াবহ ধস! তিস্তার স্রোতে বাড়ছে শঙ্কা, পুজোর মুখে ঘোর বিপদে পর্যটকরা

Share
Siliguri Sikkim NH10: শিলিগুড়ি-সিকিম ‘লাইফ লাইনে’ ভয়াবহ ধস! তিস্তার স্রোতে বাড়ছে শঙ্কা, পুজোর মুখে ঘোর বিপদে পর্যটকরা
বৃষ্টিতে বাড়ছে তিস্তার জলস্তর। ফাইল চিত্র
Share

শিলিগুড়ি: উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়ার মুখেই পাহাড়ে প্রকৃতির রুদ্ররূপ। রাতভর অবিরাম ভারী বৃষ্টির জেরে চরম বিপত্তির মুখে পড়ল সিকিম ও সংলগ্ন উত্তরবঙ্গ। শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিমকে যুক্তকারী প্রধান ‘লাইফ লাইন’ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাধিক পয়েন্টে নামল ভয়াবহ ভূমিধস। সিংতাম-রংপো রুটের ২০ মাইল এবং বারদাং এলাকায় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে অনবরত গড়িয়ে পড়ছে বড় বড় পাথরের চাই ও কাদা। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সিকিমের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। পুজোর ঠিক মুখে এই বিপর্যয়ে কেবল স্থানীয় মানুষজনই নন, চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের মধ্যে পড়েছেন পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়া বিপুল সংখ্যক পর্যটক।

সিকিম প্রশাসন সূত্রের খবর, লাগাতার বর্ষণের জেরে ২০ মাইল বারদাং রোড সম্পূর্ণ জলকাদায় তলিয়ে গিয়ে চরম বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিম সিকিমেরও বিস্তীর্ণ অংশে বিপর্যয় নেমে এসেছে। অস্থিতিশীল পাহাড় থেকে অনবরত মাটি ও পাথর খসে পড়ার কারণে রিম্বি-ইউকসাম সড়ক বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধ કરી দিতে হয়েছে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে খেচুপেরি থেকে গিয়ালশিংগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথটিও। এমতাব系统中 সিকিম প্রশাসনের তরফ থেকে পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীদের ধসপ্রবণ ওই এলাকাগুলি এড়িয়ে নিরাপদ স্থানে থাকার স্পষ্ট নির্দেশিকা বা পরামর্শ জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, পাহাড়জুড়ে ভারী বৃষ্টির কারণে খরস্রোতা তিস্তা নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে, যা নিচু এলাকাগুলিতে বন্যার আশঙ্কা উসকে দিচ্ছে।

বিপর্যয়ের আঁচ কেবল সিকিমেই সীমাবদ্ধ নেই, প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল ও ভুটানেও জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। নেপালের আবহাওয়া দপ্তর শুক্রবার পর্যন্ত গণ্ডকী ও লুম্বিনি প্রদেশসহ একাধিক এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে হাই অ্যালার্ট জারি করেছে। পাশাপাশি জনগণকে রাতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমান্তরালভাবে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়েছে ভুটানেও। ভুটান ন্যাশনাল সেন্টার ফর হাইড্রোলজি অ্যান্ড মেটিওরোলজির সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ভুটান পাহাড়ে অতিবৃষ্টির ফলে হড়পা বানের সম্ভাবনা প্রবল। যার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে ডুয়ার্সে। উত্তরের তোর্সা, রায়ডাক ও সঙ্কোশ নদীর জলস্ফীতির জেরে পুজোর আগেই ডুয়ার্সের বানারহাট, জয়গাঁ সহ বিশাল এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:12935]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles