০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home খেলা ক্রিকেট Gautam Gambhir: রোহিতকে ঢালাও সার্টিফিকেট! কেন ইংল্যান্ডে রাতে ঘুমোতে পারেননি গম্ভীর ?
ক্রিকেটখেলাখেলা

Gautam Gambhir: রোহিতকে ঢালাও সার্টিফিকেট! কেন ইংল্যান্ডে রাতে ঘুমোতে পারেননি গম্ভীর ?

Share
Gautam Gambhir: রোহিতকে ঢালাও সার্টিফিকেট! কেন ইংল্যান্ডে রাতে ঘুমোতে পারেননি গম্ভীর ?
সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ গম্ভীরের। ফাইল ছবি
Share

নয়াদিল্লি: তাঁর কোচিং জীবন মোটে দুই বছরের। কিন্তু এই অল্প সময়েই কঠিন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে। গত জুলাই মাসে ইংল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিশ্বসেরা খেলোয়াড় সঞ্জু স্যামসনকে বসিয়ে ১৫ বছরের তরুণ বৈভব সূর্যবংশীকে সুযোগ দেওয়াটা ছিল তাঁর কোচিং জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। 

সে রাতে ঘুমোতে পর্যন্ত পারেননি গম্ভীর। তবে টিম ইন্ডিয়ার ড্রেসিংরুম এবং দলের সাফল্যের রসায়নে অন্য একজনের অবদান বারবার মনে করিয়ে দিলেন তিনি। তিনি প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের আত্মিক যোগ এবং দলের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বোঝাপড়া নিয়ে মুখ খুললেন গম্ভীর।

একটি জনপ্রিয় ডিজিটাল সাক্ষাৎকারে গম্ভীর রোহিত শর্মার সঙ্গে নিজের সুসম্পর্কের গল্প শোনান। তিনি স্পষ্ট জানান, তাঁদের সম্পর্কটা কেবল একজন ‘কোচ এবং অধিনায়ক’-এর প্রাতিষ্ঠানিক গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর গভীরতা অনেক পুরোনো। 

গম্ভীরের কথায়, “রোহিত আর আমার সম্পর্কটা শুধু অধিনায়ক আর কোচের নয়। যখন রোহিত জাতীয় দলে প্রথম সুযোগ পায়, আমি তখন দলের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার। রোহিত আমাকে সেই তখন থেকে চেনে। ব্যাপারটা এমন নয় যে আমি বিদেশ থেকে আসা এক অচেনা কোচ, যিনি রোহিতকে আগে খেলোয়াড় হিসেবে বা ব্যক্তি হিসেবে কাছ থেকে চেনেন না।” 

গম্ভীর বোঝাতে চেয়েছেন, কোচ হয়ে আসার পর তাঁদের নতুন করে একে অপরকে বুঝে নেওয়ার কোনো প্রয়োজন পড়েনি। বহু বছর ধরে এক সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়ার কারণে তাঁদের টিউনিং ছিল একদমই নিখুঁত, যার বড় সুফল পেয়েছিল ভারতীয় দল।

তবে ক্রিকেট মাঠে সাফল্যের পাশাপাশি কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন টিম ইন্ডিয়ার হেডস্যার। চলতি বছর ইংল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বকাপের সেরার পুরস্কার জয়ী সঞ্জু স্যামসনকে একাদশের বাইরে রেখে অভিষেক করানো হয়েছিল ১৫ বছরের বিস্ময়-বালক বৈভব সূর্যবংশীকে। 

যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর নিজেকে তীব্র আক্ষেপে পুড়তে হয়েছিল গম্ভীরকে। গম্ভীরের কথায়, “কোচিং জীবনের দুই বছরে ওই একটা রাতেই আমি ঘুমোতে পারিনি। খবরটা আমি সঞ্জুকে নিজেই বুঝিয়ে বলেছিলাম। বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হওয়ার ৩-৪ ম্যাচ পরেই তাকে বাদ দেওয়া কোনও কোচের জন্যই সহজ নয়। কিন্তু বৈভব তখন তুখোড় ফর্মে ছিল এবং দলের জন্য একটা ভালো ওপেনিং শুরু দরকার ছিল।”

একই সঙ্গে বৈভবের মতো উদীয়মান তারকাদের জন্য গম্ভীরের স্পষ্ট বার্তা, “তরুণদের বুঝতে হবে যে, ফর্মে থাকলেও সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। গত দুই-তিন বছর ধরে যারা ধারাবাহিক পারফর্ম করছে, তারা সবসময়ই অগ্রাধিকার পাবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বাইরের সমালোচনায় কিন্তু ভারতের প্রথম একাদশ নির্ধারিত হয় না। আমরা জনপ্রিয় নয়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চাই।” 

সব মিলিয়ে, কঠিন মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধক রাখা আর রোহিত শর্মার মতো নেতার সঙ্গই যে গম্ভীরকে আজ সফল কোচের মর্যাদা দিচ্ছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *