০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব নেপালে মসজিদ ভাঙচুর! সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে ‘সিল’ সীমান্ত
বিশ্ব

নেপালে মসজিদ ভাঙচুর! সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে ‘সিল’ সীমান্ত

Share
Share

HSN ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ধর্মীয় ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে ছড়ানো সাম্প্রদায়িক উত্তেজনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল নেপালের দক্ষিণাঞ্চল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেপালের পারসা জেলার বীরগঞ্জ শহরে কার্ফিউ জারি করা হয়েছে। অশান্তি রুখতে ভারতের বিহার সীমান্ত সংলগ্ন রক্সৌল সীমান্ত সম্পূর্ণ ‘সিল’ করে দিয়েছে প্রশাসন। জরুরি পরিষেবা ছাড়া সীমান্ত দিয়ে সমস্ত ধরনের যাতায়াত আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

নেপাল পুলিশ সূত্রে খবর, এই অশান্তির সূত্রপাত হয় ধনুসা জেলার কমলা পৌরসভার সখুয়া মরণ এলাকায়। সেখানে একদল দুষ্কৃতী একটি মসজিদে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা চরম আকার নেয়। অভিযোগ উঠেছে, এর পাল্টা হিসেবে দুই মুসলিম যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুবিরোধী কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রচার করেন, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

ধনুসা জেলার এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকাল থেকেই বীরগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন। একটা সময় এই আন্দোলন হিংসাত্মক রূপ নেয়। পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাথর ছোড়া হয় এবং স্থানীয় থানা ভাঙচুরেরও চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন বীরগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফিউ জারির নির্দেশ দিয়েছে।

বর্ডার সংলগ্ন এলাকায় এমন উত্তেজনার ফলে ভারত-নেপাল সীমান্তে হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে অশান্তি ছড়িয়ে না পড়ে। নেপাল ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনার কাজ চালাচ্ছে।

বর্তমানে বীরগঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। প্রশাসনের তরফ থেকে শান্তি বজায় রাখার জন্য সাধারণ মানুষকে আবেদন জানানো হয়েছে এবং উস্কানিমূলক কোনও কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *