০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বাংলাদেশ হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার মন্তব্য কূটনৈতিক রীতিনীতিবিরোধী: জামায়াত
বাংলাদেশবাংলাদেশ

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার মন্তব্য কূটনৈতিক রীতিনীতিবিরোধী: জামায়াত

Share
Share

ঢাকা: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে ভারতের পার্লামেন্টের রাজ্যসভার সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্রসচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা-র মন্তব্যকে কূটনৈতিক শিষ্টাচারবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে তিনি ওই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রবিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং একটি বৈধ ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রীতিনীতি ও পররাষ্ট্র নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশেষ করে একজন সাবেক কূটনীতিক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার মন্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তথ্যবিকৃত এবং রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। একটি দেশের জনগণ কাকে ভোট দেবে বা দেবে না—সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার একমাত্র সেই দেশের জনগণেরই রয়েছে। কোন রাজনৈতিক দল কতটুকু জনসমর্থন পাবে, তা নির্ধারণ করার কোনো এখতিয়ার বিদেশি কোনো রাজনীতিবিদের নেই। বাংলাদেশের জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে কিংবা কোন দল কত ভোট পেতে পারে—এ ধরনের মন্তব্য করে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের পরিবেশ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করেছেন।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত, গণতান্ত্রিক ও আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল। দেশের জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রশ্নে দলটি সব সময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণই তাদের প্রকৃত রায় দেবে—এ বিষয়ে জামায়াতের কোনো সংশয় নেই।

বিবৃতির শেষাংশে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভারতের দায়িত্বশীল মহল ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকবে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে পারস্পরিক সম্মান, সৌজন্য ও কূটনৈতিক শালীনতা বজায় রাখবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles