০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বাংলাদেশ এক বছরে দেড় কোটির সম্পত্তি বাড়িয়েছেন ইউনূস
বাংলাদেশবাংলাদেশ

এক বছরে দেড় কোটির সম্পত্তি বাড়িয়েছেন ইউনূস

Share
Share

ঢাকা: ঢাকায় এই প্রথমবারের মতো অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মহম্মদ ইউনূস-সহ সরকারের উপদেষ্টা ও সমমর্যাদার পদাধিকারীদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হল। শুধু তাই নয়, এই প্রকাশিত হিসাবের মধ্যে তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্পত্তির তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:6429]

মঙ্গলবার বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি হওয়া সরকারি নির্দেশিকা অনুসারেই এই সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ২০২৪ সালের ৩০ জুন এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হালনাগাদ সম্পত্তির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

নথি অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মহম্মদ ইউনূস ২০২৪ সালে তাঁর ঘোষিত মোট সম্পত্তির পরিমাণ দেখিয়েছেন ১৪ কোটি ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকা। ২০২৫ সালে সেই সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৫ টাকা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই সম্পত্তির বিপরীতে তাঁর কোনও দেনা বা দায় নেই।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই সম্পত্তির হিসাব জনসমক্ষে আনা হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এটি একটি কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অধ্যাপক মহম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের সব উপদেষ্টার সম্পত্তির হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে। সেই সময় তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, যাঁরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে আনা হবে।

[TECHTARANGA-POST:6428]

একই সঙ্গে তিনি জানান, ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করা হবে। তাঁর মতে, আগামী দিনে সরকারের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জন্য নিয়মিত ও বাধ্যতামূলকভাবে সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশের ব্যবস্থা চালু করা হবে।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক সূচনা হিসেবেই বিবেচিত হবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles