০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ ৪৫ দিনে সপ্তম পে-কমিশন ও চাকরিতে বয়সের ছাড়! মথুরাপুরে মতুয়া-যুব সমাজের জন্য শাহী ‘গ্যারান্টি’
পশ্চিমবঙ্গ

৪৫ দিনে সপ্তম পে-কমিশন ও চাকরিতে বয়সের ছাড়! মথুরাপুরে মতুয়া-যুব সমাজের জন্য শাহী ‘গ্যারান্টি’

Share
Share

মথুরাপুর: বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র মঞ্চ থেকে কার্যত প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার মথুরাপুরের জনসভা থেকে কর্মসংস্থান, মহার্ঘ্য ভাতা (DA) এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করার পাশাপাশি যুব সমাজ ও সরকারি কর্মীদের মন জয়ে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করেন তিনি।

রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাবকে হাতিয়ার করে শাহ এদিন বেকার যুবক-যুবতীদের আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার গঠন করলে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে।” শুধু তাই নয়, নিয়োগে দেরি হওয়ার কারণে যাঁদের বয়সের নির্ধারিত সীমা পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের কথা মাথায় রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সের সীমায় ৫ বছরের ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেন তিনি।

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও বেতন কাঠামো নিয়ে অসন্তোষকে পুঁজি করে শাহ এদিন বড় ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্য সরকার কর্মীদের ষষ্ঠ বেতন কমিশনে আটকে রেখেছে। কিন্তু, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা হবে।

ভোটারতালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে মতুয়া সমাজের মধ্যে তৈরি হওয়া আশঙ্কার মেঘ কাটাতেও শাহ স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর কথায়, “রাজ্য সরকার CAA-এর বিরোধিতা করলেও কেন্দ্রে মোদী সরকার রয়েছে। একজনও হিন্দু শরণার্থীর নাগরিকত্ব কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।” মতুয়াদের নাগরিকত্ব সুনিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

অমিত শাহের বক্তৃতায় বরাবরই প্রাধান্য পায় অনুপ্রবেশ ইস্যু। এদিনও তিনি দাবি করেন, রাজ্যে অনুপ্রবেশ রুখতেই ভোটারতালিকার নিবিড় সংশোধন জরুরি। শাহ বলেন, “এই পরিবর্তন যাত্রা কেবল মুখ্যমন্ত্রী বদলের জন্য নয়, এটি অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়ার যাত্রা। পরিবর্তন সাধারণ মানুষই করবে।”

রাজ্যের শাসকদলকে নিয়োগ দুর্নীতি ও শিল্পের অভাব নিয়ে আক্রমণ শানিয়ে শাহের এই ‘আশ্বাসের ডালি’ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *