০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব ভেনেজুয়েলার পর এবার ইকুয়েডর: মাদক ও জঙ্গিদমনে দক্ষিণ আমেরিকায় ফের বড় সামরিক অভিযানে ট্রাম্প প্রশাসন
বিশ্বযুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলার পর এবার ইকুয়েডর: মাদক ও জঙ্গিদমনে দক্ষিণ আমেরিকায় ফের বড় সামরিক অভিযানে ট্রাম্প প্রশাসন

Share
Share

ওয়াশিংটন: দক্ষিণ আমেরিকায় মাদক সিন্ডিকেট এবং জঙ্গি সংগঠনগুলোর নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে এবার ইকুয়েডরে সামরিক অভিযান শুরু করল আমেরিকা। মঙ্গলবার রাতে পেন্টাগনের তরফে এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতেই একই অভিযোগে ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে এসেছিল মার্কিন সেনা। এবার ইকুয়েডরের অভ্যন্তরে শিকড় গেড়ে বসা মাদক সওদাগর ও জঙ্গিদের লক্ষ্য করে শুরু হলো নতুন অভিযান।

[TECHTARANGA-POST:6971]

মার্কিন সাদার্ন কমান্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানটি ইকুয়েডর সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হচ্ছে। মূলত ক্যারিবীয় অঞ্চলে দশকের পর দশক ধরে চলা মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। মার্কিন সাদার্ন কমান্ডার জেনারেল ফ্রান্সিস এল ডোনোভান জানিয়েছেন, ইকুয়েডর সেনা দীর্ঘকাল ধরে মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এবার আমেরিকা তাদের রণকৌশল, অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সরাসরি সহযোগিতা করছে। যদিও অভিযানের সিংহভাগ দায়িত্ব সামলাচ্ছে ইকুয়েডর সেনাই।

[TECHTARANGA-POST:6970]

বিশ্বের মাদক পাচারের মানচিত্রে ইকুয়েডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। যদিও এখানে সরাসরি মাদক উৎপাদন হয় না, তবে প্রতিবেশী কলম্বিয়া এবং পেরু থেকে উৎপাদিত মাদক কোন পথে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে, তা নিয়ন্ত্রণ করে ইকুয়েডরের শক্তিশালী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো। এই পাচারচক্রের কোমর ভেঙে দিতেই মার্কিন প্রশাসন কোমর বেঁধে নেমেছে। মাঝেমধ্যেই সমুদ্রে পাচারকারী নৌকাগুলিকে নিশানা করা হলেও, এবার সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ক্যারিবীয় অঞ্চলে তাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকে সুরক্ষা দিতে এবং মাদক সন্ত্রাস বন্ধ করতে এই লড়াই জারি থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পশ্চিম গোলার্ধে ড্রাগ কার্টেল ও জঙ্গি কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। এই অভিযানের মাধ্যমে তারা ইকুয়েডরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে যেমন মজবুত করতে চায়, তেমনই আন্তর্জাতিক মাদক পাচার রুটগুলোকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করতে বদ্ধপরিকর।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *