০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা হোলির দুপুরে রণক্ষেত্র শালিমার স্টেশন চত্বর, ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর, পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশবাহিনী
কলকাতা

হোলির দুপুরে রণক্ষেত্র শালিমার স্টেশন চত্বর, ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর, পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশবাহিনী

Share
হোলির দুপুরে রণক্ষেত্র শালিমার স্টেশন চত্বর, ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর, পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশবাহিনী
Share

হাওড়া: রঙের উৎসবের মাঝেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়ার শালিমার স্টেশনের ৫ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকা। বুধবার দুপুরে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত বড়সড় সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় বি গার্ডেন থানার পুলিশবাহিনী ও হাওড়া সিটি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের।

স্থানীয় সূত্রে দুই ধরনের অভিযোগ সামনে আসছে। এক পক্ষের দাবি, একটি ছোট ট্রাকের আড়ালে বসে কয়েকজন যুবক মদ্যপান করছিলেন। চালক তা খেয়াল না করেই হঠাৎ গাড়ি স্টার্ট দেওয়ায় এক যুবকের হাতে চোট লাগে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজিত জনতা চালককে মারধর করতে গেলে তিনি গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

অন্যদিকে, একাংশের বক্তব্য — ওই এলাকায় কোনও নির্দিষ্ট পার্কিং জোন না থাকলেও বহু গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। দুপুরে সেখানে স্থানীয় শিশুরা খেলাধুলা করার সময় চালকের সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে বিবাদ শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় চালক কয়েকজনকে গাড়ি দিয়ে পিষে দেওয়ার চেষ্টা করলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা।

বচসা থেকে শুরু হওয়া এই ঝামেলা মুহূর্তের মধ্যে হাতাহাতি ও ভাঙচুরে পরিণত হয়। এলাকার উত্তেজিত মানুষ একের পর এক দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই এলাকায় পৌঁছয় বি গার্ডেন থানার পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারাও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উৎসবের দিনে একদল দুষ্কৃতী এলাকায় বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছিল। বর্তমানে এলাকায় নতুন করে অশান্তি এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *