ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে এসআইআর (SIR)-এর প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না আজ দ্বিতীয় দিনে পড়ল। সেখান থেকেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের আকস্মিক পদত্যাগ এবং নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ নিয়ে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট দাবি করেন, প্রাক্তন রাজ্যপালকে সরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে বড় কারণ রয়েছে। তাঁর কথায়, “তাঁকে থ্রেট (হুমকি) করা হয়েছে। অনেকে চায় না রাজভবন বিজেপির পার্টি অফিস হোক, ওখানে বিজেপির টাকা বিলি হোক।” নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যপালকে সরাসরি ‘বিজেপির প্যারেড করা ক্যাডার’ বলে কটাক্ষ করেন মমতা। ভোটের মাত্র এক মাস আগে কেন এই বদল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।জগদীপ ধনখড়কেও তাঁর মেয়াদ পূর্ণ করতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার মতে, কেন্দ্র কাউকে কাজ সম্পূর্ণ করতে দিচ্ছে না। কেন্দ্রের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এরা কি আদেও কোনো নৈতিকতা মানে?” তামিলনাড়ু থেকে বাংলা— অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে রাজ্যপালদের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
রাজ্য রাজনীতির এই উত্তপ্ত আবহে মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘নজরবন্দি’ ও ‘ভোটবন্দি’র তত্ত্ব নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল।
Leave a comment