০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা হিংসামুক্ত ভোটের লক্ষ্যে কমিশনের কাছে বিজেপির ১৬ দফা দাবি, সরব কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে
কলকাতাকলকাতা

হিংসামুক্ত ভোটের লক্ষ্যে কমিশনের কাছে বিজেপির ১৬ দফা দাবি, সরব কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে

Share
হিংসামুক্ত ভোটের লক্ষ্যে কমিশনের কাছে বিজেপির ১৬ দফা দাবি, সরব কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে
ছবি সংগৃহীত
Share

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে আসা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন বিজেপির প্রতিনিধিরা। সোমবার নিউটাউনের একটি হোটেলে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে আগামী নির্বাচনকে সম্পূর্ণ হিংসা ও ভয়মুক্ত করার লক্ষ্যে কমিশনের কাছে ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে পদ্ম শিবির। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে দলের প্রতিনিধিরা জানান, আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা যাতে কোনওরকম ভয় বা চাপের মুখে না পড়ে নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই একগুচ্ছ দাবি জানানো হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7129]

এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং তাদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, রাজ্যে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্য পুলিশ এমনভাবে ব্যবহার করছে যাতে তারা সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও কার্যকর এবং নিরপেক্ষভাবে কাজে লাগানোর জন্য কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, দীর্ঘ সময় ধরে দফায় দফায় ভোট না করে সর্বাধিক ১ থেকে ২ দফার মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার প্রস্তাব দিয়েছে বিজেপি। একইসঙ্গে রাজ্যের সংবেদনশীল বুথগুলিকে আগেভাগেই চিহ্নিত করে সেখানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার আর্জিও জানানো হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7128]

বিজেপির প্রতিনিধি দল আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন’-এর বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, এই সংগঠনের মাধ্যমে ভোটের প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয়, তাই নির্বাচন চলাকালীন এই সংগঠনের সমস্ত অফিস বন্ধ রাখা জরুরি। তবে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সরব হলেও, বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এদিনের বৈঠকে এই নির্দিষ্ট বিষয়টি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *