০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ সীমান্তে রণক্ষেত্র! গোরু পাচার রুখতে গিয়ে বিএসএফ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, রায়গঞ্জে চরম উত্তেজনা
অপরাধবাংলাদেশভারতবর্ষভারতবর্ষ

সীমান্তে রণক্ষেত্র! গোরু পাচার রুখতে গিয়ে বিএসএফ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, রায়গঞ্জে চরম উত্তেজনা

Share
সীমান্তে রণক্ষেত্র! গোরু পাচার রুখতে গিয়ে বিএসএফ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, রায়গঞ্জে চরম উত্তেজনা
Share

রায়গঞ্জ: গোরু পাচারকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। রবিবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ ব্লকের মহিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শনগা এলাকায় বিএসএফ ও গ্রামবাসীদের মধ্যে দফায় দফায় বিবাদ ও ধস্তাধস্তির জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হয় রায়গঞ্জ থানার ভাটোল ফাঁড়ির পুলিশকে। দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত সংলগ্ন এই গ্রাম।

[TECHTARANGA-POST:7133]

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় গোরু পাচারের ঘটনার জেরে সীমান্তের কাঁটাতার সংলগ্ন চাষের জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমানের দাবি, সকালে তাঁর ভুট্টা খেত তছনছ হতে দেখে তিনি মোবাইলে ছবি তুলছিলেন, ঠিক সেই সময় বিএসএফ-এর এক আধিকারিক তাঁর মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য লতিফুর রহমানের অভিযোগ, গবাদি পশু পাচার নিয়ে গ্রামবাসীরা মুখ খুললেই বিএসএফ তাঁদের ওপর চড়াও হয়। এই বিষয়ে বিডিও অফিসেও অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা।

[TECHTARANGA-POST:7130]

অন্যদিকে, বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পাচারকারীদের রুখে দেওয়ার ফলেই এই ঝামেলার সূত্রপাত। বিএসএফ ক্যাম্পের এক আধিকারিকের দাবি, গোরু পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়ার পর পাচারকারীর আত্মীয়স্বজনরা এসে বিএসএফ জওয়ানদের কাজে বাধা দেন এবং ঝামেলা শুরু করেন। মহিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দীপক বর্মন জানান, কাঁটাতার কেটে গোরু পাচারের চেষ্টার জেরেই এই বচসা। এটি যেহেতু জাতীয় সুরক্ষার বিষয়, তাই প্রশাসনিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। রায়গঞ্জের বিডিও এবং পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *