০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি আইন-কানুন আবারও বিপাকে কেজরিওয়াল? আবগারি মামলায় আপ সুপ্রিমো ও সিসোদিয়া-সহ ২৩ জনকে নোটিস দিল্লি হাইকোর্টের
আইন-কানুনদিল্লিদিল্লিভারতবর্ষ

আবারও বিপাকে কেজরিওয়াল? আবগারি মামলায় আপ সুপ্রিমো ও সিসোদিয়া-সহ ২৩ জনকে নোটিস দিল্লি হাইকোর্টের

Share
আবারও বিপাকে কেজরিওয়াল? আবগারি মামলায় আপ সুপ্রিমো ও সিসোদিয়া-সহ ২৩ জনকে নোটিস দিল্লি হাইকোর্টের
Share

দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও আম আদমি পার্টির জন্য স্বস্তির মেঘ কাটতে না কাটতেই ফের নতুন করে আইনি জট তৈরি হলো। নিম্ন আদালতের ‘ক্লিন চিট’-কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিবিআই (CBI), আর সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এবার অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়া-সহ মোট ২৩ জনকে নোটিস পাঠাল উচ্চ আদালত। 

[TECHTARANGA-POST:7143] 

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়াকে এই মামলা থেকে বেকসুর খালাস করার যে নির্দেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধেই সরব হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই-এর যুক্তি, নিম্ন আদালত ট্রায়াল বা বিচার প্রক্রিয়া ছাড়াই তদন্তকারী অফিসারদের ভূমিকা নিয়ে যে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে, তা আইনত সঠিক নয়।

[TECHTARANGA-POST:7147]

সোমবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মা সিবিআই-এর সওয়ালে সাড়া দিয়ে নিম্ন আদালতের সেই বিতর্কিত পর্যবেক্ষণের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে দাবি করেন, কোনও পোক্ত প্রমাণ ছাড়াই কেন্দ্রীয় সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এর পরেই হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, নিম্ন আদালতের কিছু পর্যবেক্ষণ বাস্তবসম্মতভাবে ভুল ছিল। ফলে তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে করা মন্তব্যগুলি আপাতত কার্যকর থাকছে না। পাশাপাশি, হাইকোর্ট পরামর্শ দিয়েছে যে, এই মামলার ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত ইডি (ED) সংক্রান্ত পিএমএলএ (PMLA) মামলার শুনানিও যেন নিম্ন আদালত স্থগিত রাখে। অর্থাৎ, আইনি লড়াই এখন এক নতুন মোড় নিল।

[TECHTARANGA-POST:7144]

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে যখন বিশেষ আদালত জানিয়েছিল যে আবগারি নীতির পেছনে কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি, তখন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন আপ সুপ্রিমো। কিন্তু সিবিআই-এর এই পাল্টা চালে ১৬ মার্চের পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ঝুলে রইল কেজরিওয়ালদের ভাগ্য। ১৬ মার্চ আদালত খতিয়ে দেখবে সিবিআই-এর আপিল কতটা গ্রহণযোগ্য। সব মিলিয়ে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্বস্তি যে একেবারেই ক্ষণস্থায়ী ছিল, তা হাইকোর্টের এই তৎপরতা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেল। এখন দেখার, উচ্চ আদালতে কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়া তাঁদের ‘বেগুনাাহ’ হওয়ার প্রমাণ কতটা জোরালোভাবে ধরে রাখতে পারেন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *