০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ কূটনীতি স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারিত করতে বিরোধীদের প্রস্তাব গৃহীত, শুরু ১০ ঘণ্টার বিতর্ক!
কূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারিত করতে বিরোধীদের প্রস্তাব গৃহীত, শুরু ১০ ঘণ্টার বিতর্ক!

Share
স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারিত করতে বিরোধীদের প্রস্তাব গৃহীত, শুরু ১০ ঘণ্টার বিতর্ক!
Share

নয়াদিল্লি: ভারতীয় সংসদের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল লোকসভা। ক্ষমতাসীন দলের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে স্পিকার ওম বিড়লাকে তাঁর পদ থেকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের আনা প্রস্তাব মঙ্গলবার আলোচনার জন্য গৃহীত হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ এবং সাংবিধানিক নিয়মাবলী নিয়ে আইনি বিবাদের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

[TECHTARANGA-POST:7165]

মঙ্গলবার সভার শুরুতেই কংগ্রেস সাংসদ মহম্মদ জাভেদ স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারণের প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিস পড়ে শোনান। জাভেদ ছাড়াও কে সুরেশ এবং মাল্লু রবি এই প্রস্তাবের স্বপক্ষে ছিলেন। তবে, ওম বিড়লার অনুপস্থিতিতে জগদম্বিকা পালের সভার সভাপতিত্ব করা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর দাবি ছিল, এ ধরনের প্রস্তাব খারিজ বা গ্রহণ করার অধিকার কেবল স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের থাকে, যা জগদম্বিকা পালের নেই। পাল্টা যুক্তিতে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু জানান, সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব গ্রহণের সময় জগদম্বিকা পালের সভাপতিত্ব সম্পূর্ণ বৈধ ও সাংবিধানিক।

[TECHTARANGA-POST:7166]

তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এই বিতর্কে অংশ নিয়ে পরামর্শ দেন, রিজিজুর উচিত এই বিশেষ আলোচনার জন্য একজন আলাদা প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগের প্রস্তাব আনা। তবে, সমস্ত আপত্তি সরিয়ে রেখে জগদম্বিকা পাল ৫০ জন সদস্যের সমর্থন চান। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাংসদ উঠে দাঁড়ালে প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য গৃহীত হয়।

[TECHTARANGA-POST:7159]

লোকসভায় কংগ্রেসের সহ-দলনেতা গৌরব গগৈ এই ঐতিহাসিক আলোচনার সূচনা করেন। এই বিতর্কের জন্য মোট ১০ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। আলোচনার শুরুতেই গগৈ পুনরায় প্রশ্ন তোলেন, স্পিকারের অপসারণ নিয়ে আলোচনা চলাকালীন সভাপতির আসনে কে বসবেন? এরপর দুপুর ১টায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত সংসদের আবহাওয়া ছিল চরম উত্তপ্ত। ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আনা এই প্রস্তাব এবং পরবর্তী ভোটাভুটি বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য এক বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *