০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ এলপিজি সঙ্কট নিয়ে কেন্দ্রের ‘ভুল সিদ্ধান্ত’কে বিঁধে জরুরি বৈঠক মমতার!
পশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

এলপিজি সঙ্কট নিয়ে কেন্দ্রের ‘ভুল সিদ্ধান্ত’কে বিঁধে জরুরি বৈঠক মমতার!

Share
এলপিজি সঙ্কট নিয়ে কেন্দ্রের ‘ভুল সিদ্ধান্ত’কে বিঁধে জরুরি বৈঠক মমতার!
Share

কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি আছড়ে পড়েছে ভারতের সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে। দেশজুড়ে এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের তীব্র আকাল ও লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির জেরে চরম সঙ্কটে আমজনতা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ‘ভুল সিদ্ধান্ত’কে দায়ী করে আগামিকাল – বৃহস্পতিবার একটি জরুরি বৈঠক ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

[TECHTARANGA-POST:7199]

বুধবার একটি বৈদ্যুতিন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, কেন্দ্রের দূরদর্শিতার অভাব ও ভুল পরিকল্পনার কারণেই আজ এই হাহাকার। বিশেষ করে ২৫ দিনের ব্যবধানে গ্যাস বুকিংয়ের যে সিদ্ধান্ত কেন্দ্র নিয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নগুলি হল, দেশের গ্যাস ভাণ্ডারে বর্তমানে ঠিক কতটুকু মজুত রয়েছে, তা কেন্দ্র কেন স্পষ্ট করছে না? কেন আগে থেকে সবদিক বিবেচনা না করেই এই ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে অবিলম্বে জোগান স্বাভাবিক করতে হবে। প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে অর্থের সংস্থান করবে বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। 

[TECHTARANGA-POST:7196]

প্রসঙ্গত, গ্যাসের এই সঙ্কটের প্রভাব ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়তে শুরু করেছে। যেমন – অনেক স্কুলে রান্নার গ্যাসের অভাবে মিড-ডে মিল তৈরি ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে রোগীদের জন্য প্রতিদিনের সুষম আহার তৈরির ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এছাড়াও, বিভিন্ন অটো রুটে গ্যাসের অভাবে ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগ উঠছে। যা সরাসরি সাধারণ যাত্রীদের পকেটে টান দিচ্ছে।

আগামিকালের বৈঠকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সঙ্কটের সুযোগ নিয়ে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কালোবাজারি করতে না পারে, সেই বিষয়ে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংসদের অধিবেশনে কেন্দ্রকে গ্যাসের ভাণ্ডার ও জোগান সংক্রান্ত সঠিক তথ্য পেশ করার দাবি জানিয়ে মমতা বলেন, “দেশে যতটুকু গ্যাস আছে, তা প্রতিটি রাজ্যের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিতে হবে।” সঙ্কটের এই মুহূর্তে রাজনীতি না করে রাজ্যবাসীর হেঁশেল সচল রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *