০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home টেক শিশুদের জন্য এবার নিরাপদ হোয়াটসঅ্যাপ! বাবা-মায়ের হাতে থাকবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, মেটার বড় ঘোষণা
টেকলাইফস্টাইল

শিশুদের জন্য এবার নিরাপদ হোয়াটসঅ্যাপ! বাবা-মায়ের হাতে থাকবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, মেটার বড় ঘোষণা

Share
শিশুদের জন্য এবার নিরাপদ হোয়াটসঅ্যাপ! বাবা-মায়ের হাতে থাকবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, মেটার বড় ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত (x)
Share

প্রযুক্তি ডেস্ক: সন্তানদের হাতে স্মার্টফোন দিলেও তাদের নিরাপত্তা নিয়ে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তায় থাকেন বাবা-মায়েরা। অভিভাবকদের সেই উদ্বেগ কাটাতে এবার এক অভিনব পদক্ষেপ নিল মেটা। বিশেষভাবে ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপে আনা হচ্ছে এক নতুন ধরনের অ্যাকাউন্ট, যার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাবা-মায়ের হাতে।

কীভাবে কাজ করবে এই বিশেষ অ্যাকাউন্ট?

এই নতুন ফিচারে বাচ্চারা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করলেও তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ অভিভাবকরা সরাসরি তদারকি করতে পারবেন। এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:

অভিভাবকের অনুমতি: শিশুরা কতক্ষণ অডিও বা ভিডিও কল করবে এবং কত মেসেজ পাঠাবে, তা ঠিক করে দিতে পারবেন বাবা-মায়েরাই। এমনকি কোনো গ্রুপে যোগ দিতে গেলেও অভিভাবকদের অনুমতি বাধ্যতামূলক।

অচেনা নম্বর থেকে সুরক্ষা: অজানা কোনো নম্বর থেকে মেসেজ এলে তা সরাসরি ইনবক্সে আসবে না। সেটি জমা হবে একটি আলাদা ‘রিকোয়েস্ট ফোল্ডারে’। সেই মেসেজটি দেখার জন্য লাগবে একটি বিশেষ ‘পিন’ (PIN), যা কেবল বাবা-মায়ের কাছেই থাকবে।

নিরাপদ ডিজিটাল জগত: এর ফলে শিশুরা চাইলেই ইন্টারনেটে সবার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না, যা তাদের অনলাইন বুলিং বা আপত্তিকর বিষয় থেকে দূরে রাখবে।

হোয়াটসঅ্যাপে আরও কিছু নতুন চমক:

শুধু শিশুদের জন্য অ্যাকাউন্টই নয়, সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্যও বেশ কিছু সুবিধাজনক ফিচার আনছে মেটা:

গ্রুপ হিস্ট্রি: এখন থেকে কোনো নতুন গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর তার আগের কথোপকথন বা পুরনো মেসেজগুলোও দেখা যাবে।

স্মার্ট স্টিকার: টাইপ করার সময় কোনো ইমোজি দিলেই সেই সম্পর্কিত স্টিকার নিজে থেকেই সাজেস্ট করবে অ্যাপ। ফলে আলাদা করে স্টিকার খোঁজার ঝামেলা থাকবে না।

মেটা জানিয়েছে, শিশুদের এই বিশেষ অ্যাকাউন্টটি বিশ্বের সব দেশে একসঙ্গে চালু হবে না, বরং ধাপে ধাপে বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে খুদে ইউজারদের জন্য ডিজিটাল জগতকে আরও সুরক্ষিত এবং অভিভাবকদের জন্য চিন্তামুক্ত করতে চাইছে মেটা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *