০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ বাংলাদেশ শেখ হাসিনার পুরনো সতর্কবার্তা ঘিরে নতুন জল্পনা, ভারতে গ্রেফতার মার্কিন ভাড়াটে সেনা
বাংলাদেশভারতবর্ষ

শেখ হাসিনার পুরনো সতর্কবার্তা ঘিরে নতুন জল্পনা, ভারতে গ্রেফতার মার্কিন ভাড়াটে সেনা

Share
শেখ হাসিনার পুরনো সতর্কবার্তা ঘিরে নতুন জল্পনা, ভারতে গ্রেফতার মার্কিন ভাড়াটে সেনা
Share

কলকাতা: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-র এক পুরনো সতর্কবার্তাকে ঘিরে ফের নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতে অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে এক মার্কিন নাগরিক-সহ কয়েকজন বিদেশিকে গ্রেফতার করার পর, সেই মন্তব্যের সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

তদন্তকারী সংস্থা National Investigation Agency (এনআইএ) সম্প্রতি একটি গোপন অভিযানে মার্কিন নাগরিক Matthew VanDyke-সহ কয়েকজন বিদেশিকে আটক করে। অভিযোগ, তাঁরা পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে মিজোরামে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছিলেন এবং সেখান থেকে অশান্ত Myanmar-এ যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

[TECHTARANGA-POST:7410]

এনআইএ সূত্রে দাবি, অভিযুক্তরা মায়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি ইউরোপ থেকে ড্রোন এনে ওই গোষ্ঠীগুলির হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। উল্লেখ্য, এই গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু বিদ্রোহী সংগঠনের যোগাযোগ থাকার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে বলে সূত্রের দাবি।

গ্রেফতার হওয়া ম্যাথিউ ভ্যানডাইক আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত একটি নাম। অতীতে লিবিয়া ও সিরিয়ার সংঘাতে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তিনি ‘Sons of Liberty International’ নামে একটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, যা বিভিন্ন দেশে সশস্ত্র গোষ্ঠীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করে বলে জানা যায়।

[TECHTARANGA-POST:7403]

এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে সামনে এসেছে শেখ হাসিনার একটি পুরনো দাবি। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, এক ‘শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি’ তাঁকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন—বাংলাদেশে বিদেশি শক্তিকে ঘাঁটি গড়তে দিলে তাঁকে ক্ষমতায় ফিরতে সাহায্য করা হবে। সেই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকা, বিশেষত চট্টগ্রাম ও মায়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র হতে পারে।

যদিও ওই দাবির পক্ষে কোনো সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি, সাম্প্রতিক এই গ্রেফতারির পর সেই প্রসঙ্গ আবার আলোচনায় উঠে এসেছে। কিছু নিরাপত্তা বিশ্লেষকের মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদেশি নাগরিকদের সন্দেহজনক গতিবিধি এবং মায়ানমারের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক সংযোগ থাকতে পারে।

তবে এখনো পর্যন্ত National Investigation Agency বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে এই ঘটনার সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়নি।

অন্যদিকে, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী Lalduhoma জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলে বহু বিদেশি নাগরিকের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে, যাদের কিছু কার্যকলাপ সন্দেহজনক। এর জেরে উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *