০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে প্রার্থী-বিক্ষোভ চরমে! ফের সল্টলেক দফতরে ধুন্ধুমার, ‘টাকার বিনিময়ে টিকিট’ বিক্রির বিস্ফোরক অভিযোগ!
পশ্চিমবঙ্গ

বিজেপিতে প্রার্থী-বিক্ষোভ চরমে! ফের সল্টলেক দফতরে ধুন্ধুমার, ‘টাকার বিনিময়ে টিকিট’ বিক্রির বিস্ফোরক অভিযোগ!

Share
বিজেপিতে প্রার্থী-বিক্ষোভ চরমে! ফের সল্টলেক দফতরে ধুন্ধুমার, ‘টাকার বিনিময়ে টিকিট’ বিক্রির বিস্ফোরক অভিযোগ!
Share

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থিতালিকা ঘোষণার পর থেকেই বঙ্গ বিজেপিতে ক্ষোভের আগুন। যার জেরে শুক্রবারের পর শনিবারও সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ের সামনে আছড়ে পড়ে কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ। বজবজ থেকে শ্রীরামপুর – একাধিক কেন্দ্রের প্রার্থী বদলের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে দলীয় দফতর চত্বর। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরালো হয়ে ওঠে যে দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসল ও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন কর্মীরা।

[TECHTARANGA-POST:7479]

বিক্ষোভকারী কর্মীদের মূল অভিযোগ, প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় আবেগকে গুরুত্বই দেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, টাকার বিনিময়ে এবং ‘সেটিং’ করে অযোগ্য ব্যক্তিদের টিকিট দেওয়া হয়েছে! বজবজ ও শ্রীরামপুরের মতো এলাকায় এমন ব্যক্তিদের প্রার্থী করা হয়েছে যাঁদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোনও যোগ নেই। কর্মীদের আরও বক্তব্য হল, অনেক আসনে এমন প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া হয়েছে যাঁরা বারবার হেরেছেন। অথচ, জেতার সম্ভাবনা থাকা প্রার্থীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবারের বিক্ষোভে মূলত বজবজ, শ্রীরামপুর, চাঁপদানি, জগদ্দল, বীজপুর ও নৈহাটি এলাকার কর্মীরা সামিল হন। এর আগে শুক্রবার বেলেঘাটা, এন্টালি, গোসাবা, খণ্ডঘোষ ও কুলপি এলাকার প্রার্থীদের বিষয়টি নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছিল। আলিপুরদুয়ারে তো জেলা কার্যালয়ে ভাঙচুর পর্যন্ত চালিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধরা। এদিনও বিক্ষোভকারীরা সাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অবিলম্বে প্রার্থী বদল না করলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে ভোটবাক্সে বা ইভিএমে।

প্রার্থিতালিকা ঘিরে এই নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। শমীক ভট্টাচার্যকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হলেও দলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। এদিকে, প্রথম দু-দফায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর থেকেই দলের সাংগঠনিক সংহতি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের মুখে এই অন্তর্কলহ ও ‘টিকিট বিক্রির’ অভিযোগ বিজেপির জন্য চরম অস্বস্তিকর। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যখন বাকি ৩৯ আসনের তালিকা চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত, তখন রাস্তার এই বিক্ষোভ পদ্ম শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *