০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা স্বস্তিতে জাকির-বায়রন-কলিতা! ঘুচল ‘বিচারাধীন’ তকমা, মনোনয়ন পেশে আর বাধা নেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের
কলকাতাকূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

স্বস্তিতে জাকির-বায়রন-কলিতা! ঘুচল ‘বিচারাধীন’ তকমা, মনোনয়ন পেশে আর বাধা নেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের

Share
Share

অবশেষে দুশ্চিন্তার অবসান। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় (Supplementary List) নাম উঠল রাজ্যের একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর। সোমবার গভীর রাতে কমিশনের এই তালিকা প্রকাশের পর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন জঙ্গিপুরের তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন, সাগরদিঘির বায়রন বিশ্বাস এবং ভাতারের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি। এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁদের মনোনয়ন পেশ করার ক্ষেত্রে আইনি আর কোনো বাধা রইল না।

[TECHTARANGA-POST:7545]

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছিল, রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা, প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন, বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস এবং বিজেপি নেত্রী কলিতা মাজির নাম ‘বিচারাধীন’ বা ‘Under Objection’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর নাম ভোটার তালিকায় বিচারাধীন থাকলে তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিতে পারেন না। এই পরিস্থিতিতে সবকটি রাজনৈতিক দলের অন্দরেই উদ্বেগ ছড়ায় যে, শেষ মুহূর্তে প্রার্থী বদল করতে হবে কি না।

[TECHTARANGA-POST:7539]

সোমবার মধ্যরাতে প্রকাশিত অতিরিক্ত তালিকায় দেখা যায়, এই তিন হেভিওয়েট প্রার্থীর নামই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সকালে বুথে গিয়ে নিজেদের নাম নিশ্চিত করেন জাকির হোসেন ও বায়রন বিশ্বাসরা। ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি বলেন, “কেন আমার নাম বিচারাধীন ছিল জানি না, তবে শুনানিতে সমস্ত তথ্য পেশ করেছিলাম। সোমবার রাত ১২টার সময় তালিকায় নিজের নাম খুঁজে পেয়েছি।”

[TECHTARANGA-POST:7539]

প্রসঙ্গত, রাজ্যে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার চার মাস পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে এই ত্রুটির কারণে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। তবে অতিরিক্ত তালিকায় নাম আসায় এখন পুরোদমে প্রচারে মন দিতে পারবেন এই প্রার্থীরা। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগে এই ঘটনাকে বড় স্বস্তি হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *