০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ আইন-কানুন বিধানসভা ভোটে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, নবান্নের কড়া ৬ দফা নির্দেশিকা
আইন-কানুনকলকাতাকূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

বিধানসভা ভোটে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, নবান্নের কড়া ৬ দফা নির্দেশিকা

Share
Share

কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করল রাজ্য প্রশাসন। নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ অবাধ, স্বচ্ছ এবং শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর ও আধিকারিকদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করলেন মুখ্যসচিব। গত ২২ মার্চ – রবিবার নবান্ন থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে কোনও প্রকার অশান্তি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

[TECHTARANGA-POST:7549]

রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা এই নির্দেশিকায় মূলত ছ’টি বিষয়ের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এগুলি হল – 

১. হিংসামুক্ত পরিবেশ: নির্বাচনের সময় যেকোনও ধরনের হিংসা কঠোর হাতে দমন করা হবে।

২. ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ: ভোটারদের ভয় দেখানো বা প্রভাবিত করার চেষ্টা রুখতে হবে।

[TECHTARANGA-POST:7538]

৩. প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন: উপঢৌকন বা টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৪. ছাপ্পা ভোট রুখতে কড়াকড়ি: জাল ভোট বা ‘ছাপ্পা’ রুখতে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করছে।

৫. বুথ দখল প্রতিরোধ: বুথ জ্যামিং বা ভোটদানকেন্দ্রে অবৈধ জমায়েত রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬. ভোটারদের যাতায়াতে বাধা নয়: ‘সোর্স জ্যামিং’ বা ভোটারদের বাড়ি থেকে বেরোতে বাধা দিলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

[TECHTARANGA-POST:7543]

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আদর্শ আচরণবিধি যাতে কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে সরকারি আধিকারিক ও কর্মচারীদের বিশেষ নজর দিতে হবে। এই নির্দেশিকা নিচুতলা পর্যন্ত পৌঁছেছে কিনা, তার প্রমাণ হিসাবে আগামী ২৫ মার্চ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ইমেল আইডিতে (wblacompliance@gmail.com) কনফার্মেশন রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7537]

নবান্নের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে বা আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বা কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিগত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার অনেক আগেভাগে কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য প্রশাসন। প্রতিটি ভোটার যাতে নির্ভয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই এখন নবান্নের মূল লক্ষ্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *